ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আলোকে মদিনা শুধু একটি নগরের নাম নয়; এটি বিশ্বাস, ভালোবাসা ও শান্তির প্রতীক। এই শহর বিশ্ব মুসলিমের কাছে পরিচিত ‘নবীর শহর’ হিসেবে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনের পূর্বে এ শহরের নাম ছিল ‘ইয়াসরিব’। সময়ের ধারায় এটি হয়ে ওঠে ‘মদিনাতুন্নবী’— অর্থাৎ ‘নবীর নগরী’। সংক্ষেপে যেটিকে আমরা ‘মদিনা’ নামে চিনি।
‘মদিনা’ শব্দটি আরবি ‘মাদীনাহ’ (المدينة) থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘শহর’। মহানবী (সা.) যখন ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা থেকে হিজরত করে এই নগরীতে আসেন, তখনই ইয়াসরিব নামটির পরিবর্তে ‘মদিনা’ নামটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ নামকরণের মাধ্যমে শহরটি পায় এক নতুন পরিচয় এবং মহিমা।
তবে মদিনার ইতিহাস এর চেয়েও অনেক গভীর ও বিস্তৃত। মদিনার অন্যতম প্রাচীন নাম ‘ইয়াসরিব’। এটি এসেছে নবী নুহ (আ.)-এর এক পুত্র ইয়াসরিবের নাম থেকে। ইতিহাসবিদদের মতে, ইয়াসরিব তাঁর বংশধরদের নিয়ে মদিনা অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন এবং তার নামেই জায়গাটির নামকরণ হয়। যদিও ‘ইয়াসরিব’ শব্দের একটি অর্থ ‘ধমক দেওয়া’ বা ‘অভিযুক্ত করা’, তবুও এটি দীর্ঘকাল ধরে শহরটির পরিচিতি হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
মদিনাকে ‘তাইবাহ’ নামেও ডাকা হয়, যার অর্থ ‘পবিত্রতা’ বা ‘স্নিগ্ধতা’। এই নাম এসেছে ‘তিব’ শব্দ থেকে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসেও মদিনাকে ‘তাইবাহ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। শহরটির আরেকটি নাম হলো ‘দারুল হিজরাহ’, অর্থাৎ ‘হিজরতের স্থান&rsqu