শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার রুখতে আঞ্চলিকভাবে আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে জন্মস্থানে শায়িত খামেনি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রবীণ নেতা মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানীর ইন্তেকাল বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্ভোগ: জাপান গার্ডেন সিটি পরিদর্শনে আমিরে মজলিস আমাদের পীর শায়েখ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী রহ.-এর স্মৃতি বাদ জুমা রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলনের গণমিছিল বাদশার অতিথি হিসেবে ২৫০ ওমরাহযাত্রীকে স্বাগত জানাল সৌদি আরব হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ইস্যুতে হাইআতুল উলয়াকে সমর্থন মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ১৪ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, টানা বর্ষণের আভাস

সেহরি না খেলে রোজা হবে কি না?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সেহরি না খেলে রোজা হবে কি না?
সেহরি খাওয়া অত্যন্ত বরকতময় আমল এবং সেহরি খাওয়া সুন্নত। কিন্তু কেউ যদি সেহরি না খেয়ে রোজা রাখে, তাহলে কি তার রোজা আদায় হবে?
শরীয়তের দৃষ্টিতে সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ আছে, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে সেহরির সময় কিছু খেয়ে নেওয়া বরকতময়।
আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও! কেননা সেহরিতে আল্লাহ তায়ালা বরকত রেখেছেন।
(বুখারী, হাদিস : ১৯২৩) 
পেট ভরে খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। সাধারণ যেকোনো খাবার কিংবা দুধ-ডিম, খেজুর বা এমন কিছু খেলেও সেহরি খাওয়া হয়। কেউ যদি সেহরিতে উঠতে না পারে, তাহলে তাকেও রোজা রাখতে হবে। সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব ও বরকত।
(বিনায়া শরহে হেদায়া : ৪/১০৩)

সেহরি খাওয়ার গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সেহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সেহরি খায় না আর আমরা সেহরি খাই।’
(মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস: ৬৪২)

এছাড়াও বিলম্বে সেহরি খাওয়া উত্তম। সময় শেষ হওয়ার আগে খাওয়া হয়ে গেলে— শেষ সময়ে কিছু চা, পানি  ইত্যাদি খেলেও সেহরির ফজিলত অর্জিত হবে।
(হেদায়া: খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৮৬)

পেটে ক্ষুধা না থাকলেও সেহরির সময় দু-একটি খেজুর খেয়ে নেয়া উত্তম বা অন্য কোনো খাবারও খাওয়া যেতে পারে।
(হেদায়া: খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৮৬)

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ