শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ১১ দলের কর্মসূচিতে নাম ব্যবহার করায় খেলাফত আন্দোলনের প্রতিবাদ ব্রিটেনের সৈকতে ডুবে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি মা ও মেয়ে ‘থ্রি জিরো লোন সার্ভিস’: সুদমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, সতর্কতা ৮ জেলায় চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডের’ সেই পুলিশ কনস্টেবল অবশেষে অপসারণ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি, এটা সুসংবাদ: আসিফ মাহমুদ   নিবন্ধন পেল অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা পোস্ট চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রোধে কঠোর ব্যবস্থা চান শায়খ আহমাদুল্লাহ বিগত দিনে সিলেটের সঙ্গে চরম বৈষম্য করা হয়েছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি

ইসরায়েলি হামলায় ১১০ ফিলিস্তিনি নিহত, থমকে গেছে যুদ্ধবিরতির আলোচনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজা উপত্যকায় শনিবার দিনভর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্রে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩৪ জন ছিলেন দক্ষিণ রাফাহর ‘গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)’ এর সামনে খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষমাণ অবস্থায়।

আল-জাজিরা জানায়, এ হামলার পর কাতারে চলমান যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অগ্রগতি থমকে যায়। একইসঙ্গে গাজার জনসংখ্যাকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনাও বেড়ে যায়।

রাফাহর আল-শাকুশ এলাকায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসরায়েলি সেনারা জিএইচএফের সামনে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি গুলি চালায়।

বেঁচে যাওয়া সামির শাআত বলেন, “সেই জায়গাটি রক্তের সাগরে পরিণত হয়েছিল। যারা খাদ্যের ব্যাগ নিতে এসেছিল, সেই ব্যাগই তাদের জন্য কাফনের কাপড় হয়ে গেছে। আল্লাহর কসম করে বলছি, এটি ছিল শুধু একটি মৃত্যুকূপ।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আমার এক শহীদ বন্ধুকে কাঁধে করে নিয়ে হাঁটছিলাম। চারপাশে শুধু লাশ আর লাশ।”

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ বারবাখ বলেন, “ইসরায়েলি স্নাইপাররা আমাদের হাঁস-মুরগির মতো গুলি করে হত্যা করেছে। এটা ছিল ঠাণ্ডা মাথায় গণহত্যা।”

এদিকে, জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইসরায়েলি হামলায় ব্যবহৃত স্থানগুলোকে ‘মানব হত্যাকেন্দ্র’ ও ‘মৃত্যুকূপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ