রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা ট্রাম্পের দাবি রোববার শান্তি-চুক্তি, ইরান বলছে ভিন্ন কথা আস-সুন্নাহ দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শ্রেষ্ঠ স্বামী হিসেবে তিনি আমার কাছে অমর হয়ে থাকবেন

হাতপাখার প্রার্থীর মেয়ের ওপর দাঁড়িপাল্লার কর্মীদের হামলা, কঠোর ব্যবস্থার দাবি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী একেএম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপরে দাঁড়িপাল্লার কর্মীরা যে বর্বরোচিত হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর রাখতে এই হামলার সাথে জড়িত অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার সকাল নয়টা-সাড়ে নয়টার দিকে মারিয়া কামালের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি নারী দল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে দাওয়াতি কাজ করছিলেন। প্রার্থীর ছেলে মুহাম্মাদ তাশফিন ও জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ফয়সাল আহমাদ সাথে ছিলেন। দাওয়াতি কাজের এক পর্যায়ে মো. সোহেল হাওলাদার, পিতা-ফজলুল হক হাওলাদার ও আলাউদ্দিন, পিতা-জাকির নামীয় দুই ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামী ও দাঁড়িপাল্লার পক্ষ হয়ে বাধা প্রদান করে এবং প্রার্থীর ছেলে তাশফিন জেলা যুব আন্দোলনের সেক্রেটারিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

একপর্যায়ে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি বড় আকার ধারণ করার আগেই মারিয়া কামাল পরিস্থিতি সামলে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। বিশেষ করে ইসলাম নামধারী একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের আচরণ আমাদেরকে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করেছে।

আমরা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাবো, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করুন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। একই সাথে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বলবো, আপনাদের কর্মীরা একজন নারীর গায়ে হাত তোলার সাহস ও শিক্ষা কোথা থেকে পায়?  এই ধরণের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ