রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ।। ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠিন পথেও পিছপা হবো না: আমিরে মজলিস এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী এবার আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প দুইদিনের সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইলমের সঙ্গে জীবনের দক্ষতা: কওমি শিক্ষার সামনে নতুন বাস্তবতা ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব কে এই গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজ ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন লেবাননের বাসিন্দারা বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী দারুল উলুম দেওবন্দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষায় কয়েকটি প্রস্তাব

'বোরকা পরে বাংলাদেশ থেকে এসেছি', বিজেপি এমপির টুইটে তোলপাড়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) পাশ হওয়ার পর একটি টুইট করেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ রূপা গাঙ্গুলী।

এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘আমি তো খান টাইগারের বেগম হয়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে অপহরণ করতে এসেছিল তারা। সে রাতে যদি আমি এবং আমার মা বোরকা পরে বাংলাদেশের দিনাজপুর থেকে পালাতে না পারতাম, তবে আজ বিজেপির সাংসদ হতে পারতাম না।’

রূপা গাঙ্গুলী একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, গায়িকা ও বিজেপি দলীয় সংসদ সদস্য। ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি থেকে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

তিনি আরও লেখেন, ৪০ বছর আগে বোরকা পরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়েছিলেন রূপা গাঙ্গুলী। সে হিসেবে তিনি অনুপ্রবেশকারী। তাহলে ভারতে রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) অনুযায়ী তার নাগরিকত্ব কি থাকবে?

রূপার এমন টুইটে অনেক ভারতীয় প্রশ্ন তুলেছেন, তবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় রূপা গাঙ্গুলীকে কি এখন শরণার্থী ধরা হবে? তাকে কি এখন নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে?

কেউ কেউ বলেছেন, তাকে যদি এখন ভারতীয় নাগরিক বলে বিবেচনা না করা হয় তবে তিনি কি করে সংসদ সদস্য হয়ে বিধানসভায় থাকতে পারেন? তিনি তো নাগরিকই নন।

এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘রূপা গাঙ্গুলী নিজেই বলছেন, উনি বাংলাদেশ থেকে বোরকা পরে এসেছেন। সে বিচারে উনি নাগরিক নন, একজন অনুপ্রবেশকারী। সেটা হলে বিজেপি তাকে সংসদ সদস্য করল কী করে?

এখনই রূপা গাঙ্গুলীর পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন ফিরহাদ হাকিম।

এমন বিতর্কের জবাব এসেছে বিজেপি থেকেও। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘রূপা শরণার্থী হয়ে থাকলে আগামীকালই নাগরিকত্বের আবেদন করে ভারতের নাগরিক হতে পারবেন। এ নিয়ে জল ঘোলা করার কিছু নেই।’

রূপাই প্রথম নন, শরণার্থী অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ, আসামসহ অনেক রাজ্য থেকেই অনেকে সাংসদ হয়েছেন বলে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।

এদিকে, দিলীপ ঘোষের এমন জবাবে তার দিকে এক ঝাঁক প্রশ্নের তীর ছুড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, ‘অ-নাগরিক’ সাংসদদের নিয়ে গঠিত সরকার কি বৈধ? রূপার মতো বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশকারীরা কি শরণার্থী হিসেবেই নাগরিকত্বের অধিকার ভোগ করছেন? এটা কি স্ববিরোধিতা নয়?

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ