বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি সভ্যতা মানবগঠন ও বিশ্বকল্যাণের সমন্বিত প্রকল্প: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন মসজিদে হারামের ইমাম ড. মাহের ‘মুহাদ্দিসে হবিগঞ্জী ছিলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ’ খামেনির বিদায়যাত্রায় জনসমুদ্র চট্টগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টি: সাজেকে আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক ভবিষ্যতে আরও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে চায় কমিশন: ইসি হবিগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ চট্টগ্রামে তিন দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দোকানপাট চট্টগ্রাম বোর্ডের ৩ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা মিসাইল হামলা

গাদ্দারের পরিণতি যেমন হয়: বাদশাহ হারুনুর রশিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাদ্দারের পরিণতি কেমন হওয়া চাই। এর একটি চমৎকার উদাহরণ বাস্তবায়ন করেছেন বাদশাহ হারুনুর রশিদ। ইতিহাসের কিতাবে ঘটনাটি পাওয়া যায়। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য আমরা ‘গাদ্দারের পরিণাম’ গল্পটি তুলে ধরছি।

একবার বাদশাহ হারুনুর রশীদের কাছে এক লোক একটি চাতক পাখি বিক্রি করার জন্য নিয়ে এলো। তিনি দাম জিজ্ঞেস করলে সে বাজারমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি দাম চাইলো। বাদশাহ জানতে চাইলেন, পাখিটির এত দাম কেন? অথচ তার একটি পা নেই! লোকটি বললো, মার্জনা করবেন জাঁহাপনা! দেখতে সাধারণ হলেও এটি আসলে একটি বিশেষ ধরণের পাখি।

এর বিশেষত্ব হলো- আমি যখন শিকারে যাই, তখন এই চাতক পাখিটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাই। আমার পাতানো ফাঁদের সাথে এই পাখিটিকেও বেঁধে রাখি। এই পাখিটি তখন অত্যাশ্চর্য এক আওয়াজে অন্য পাখিদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। তার এই আওয়াজ শুনেই ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা এসে জড়ো হয়। তখন আমি একসাথে সব পাখিকে শিকার করি। বলা যায় এই পাখিটিই আমার শিকারের প্রধান ফাঁদ।

বাদশাহ তার কথা শুনে পাখিটিকে শিকারীর চাহিদা অনুযায়ী চড়া দামেই কিনলেন ও সাথে সাথে ‘জবাই’ করে ফেললেন। শিকারী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, জাঁহাপনা! আপনি অনেক দামে কেনা পাখিটি এভাবে জবাই করে দিলেন?

তখন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তাকে একটা মহামূল্যবান কথা বললেন, যা ইতিহাসে আজও অমর হয়ে আছে। তিনি বললেন,
‘যে অন্য জাতির দালালি করার জন্য তার স্বজাতির সাথে অনায়াসে এমন গাদ্দারি করতে পারে, তার এই পরিণতিই হওয়া উচিত’।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ