রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবিতে একমত জামায়াত জাতীয় প্রেসক্লাবে মসজিদভিত্তিক সমাজ উন্নয়ন বিষয়ে গোলটেবিল আলোচনা পাগলা মসজিদের সিন্দুকে রেকর্ড ১২ কোটি টাকা ইসলামিক ল' রিসার্চ সেন্টারের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত শাপলার চেতনা আগামীর বাংলাদেশের মাইলফলক: ইবনে শাইখুল হাদিস ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের আমরণ অনশনের ঘোষণা ‘নুরের ওপর হামলায় দেশের নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে ’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল জুলাই আন্দোলনের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে : খেলাফত মহাসচিব ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে: ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব

পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে: ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পিআর বা আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশে কোনো পিআর পদ্ধতির নির্বাচন হবে না। এই পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য নয়, বরং বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।”

শুক্রবার যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. ইকরাম আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আওয়ামী সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি। আজ কেউ কেউ আগস্টের ৩/৪ তারিখ আন্দোলনের নামে সংসদে যেতে চায়। তারা পিআর পদ্ধতির নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে চায়। কিন্তু আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—এ পদ্ধতির কোনো স্থান বাংলাদেশে নেই।”

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী জাকির হোসেন খান বলেন, “এই পদ্ধতির মাধ্যমে বিদেশি শক্তি বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়। প্রতিবেশী দেশ নেপালে গত ৯ বছরে ৮ বার সরকার পরিবর্তনের নজির রয়েছে। বাংলাদেশে এ পদ্ধতি চালু হলে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।”

সম্মেলনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ১২ দলীয় জোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে হাফেজ রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রার্থী হাফেজ রশীদ নিজেই এবং সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান কাসেমী।

জমিয়তের সহ-সভাপতি মুফতি রেজাউল করিম বলেন, “মুফতি ওয়াক্কাস রহ. মনিরামপুরে যে উন্নয়ন রেখা তৈরি করে গেছেন, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে তার সুযোগ্য উত্তরসূরি রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে বিজয়ী করতে হবে। তিনি মনিরামপুরবাসীর আশার প্রতীক।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান বলেন, “জুলাই-আগস্টের শহীদ ছাত্র, শাপলা চত্বরে শহীদ হুসাইনদের আমরা ভুলিনি। তারা দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়। মুফতি ওয়াক্কাস রহ. ছিলেন একজন নির্ভীক ও দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিবিদ। কোনো সরকারই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আহসান হাবীব, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হাজী ইমদাদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা মাহমুদ, যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী হুসাইন আহমদ বিন ওয়াক্কাস, উপজেলা সভাপতি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলামসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ