শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
উজবেকিস্তানে আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফোরামে মসজিদে হারামের ইমাম ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া প্রকাশ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময়

জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পাঠের বিশেষ ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

সূরা আল কাহাফ পবিত্র কুরআন শরীফের ১৮ নম্বর সূরা। এ সূরার আয়াত সংখ্যা ১১০টি এবং রুকুর সংখ্যা ১১টি। সূরা আল কাহাফ মক্কায় অবতীর্ণ তাই এটি মাক্কী সূরা।  

যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমাহ হতে আগামী জুমা পর্যন্ত চমকাতে থাকবে। (মিশকাত ২১৭৫)।

যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট হতে নিরাপদ রাখা হবে। (মুসলিম)

‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর যে ব্যক্তি উহার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ’ (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।

যে ব্যক্তি জুমার রাত্রিতে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে। ’ (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।

জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে। (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)

জনৈক ব্যক্তি সূরা আল কাহফ পড়ছিল। তখন লোকটি তাকিয়ে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে।

বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সূরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমাত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কুরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল। (মুসলিম- ১৭৪২)।

অর্থাৎ এটা হলো আল্লাহ  তায়ালার পক্ষ থেকে ওই ‘সাকীনা’ বা প্রশান্তি যা কৃরআন পাঠের সময় অবতীর্ণ হয়ে থাকে।

পবিত্র গ্রন্থ আল কৃরআন বা এর যে কোন সূরা যে কোন সময় আমল করা যাবে। তবে আল্লাহ তাআলা কিছু নির্দিষ্ট সময় দিয়েছেন যে সময়গুলোতে কিছু নির্দিষ্ট আমল করলে সওয়াব বেশি হয়।

তেমনি ভাবে সূরা কাহফ বৃহস্পতিবার দিন শেষে সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সূর্য ডোবা পর্যন্ত যে কোনো সময় সূরা কাহাফ পাঠ করলে হাদিস অনুযায়ী আমল করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য, এক বৈঠকে পুরা সূরা পড়া জরুরি নয়। বরং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত একাধিক বৈঠকে ভাগ ভাগ করে উক্ত সূরা পড়ে শেষ করলেও একই সওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ