মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২১০ মাদরাসা পরিচালককে নিয়ে আস-সুন্নাহর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন মহানবী (সা.)-এর আদর্শে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ প্রতিষ্ঠান-পরিচালক তৈরিতে ইতমিনান বোর্ডের সাত দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ বুধবার আল-হাইআতুল উলয়ার সব কার্যক্রম বন্ধ জয়পুরহাটে আখখেত থেকে কঙ্কাল উদ্ধার বাংলায় সিরাত চর্চা: ২০২টি বইয়ের তালিকা মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে জমজ দুই বোনের মৃত্যু ঈমান-আকিদা সংরক্ষণে উলামা-মাশায়েখ কনভেনশনে ৭ দফা দাবি পেশ আটক ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণের নির্দেশ তালেবান সরকারের ট্রান্সজেন্ডারবান্ধব শ্রম আইন বাতিল ও হিজবুত তাওহীদ নিষিদ্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের

নামাজ আদায়ের সময় হাই এলে করণীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

নামাজে হাই এলে যথাসাধ্য তা দমন করার চেষ্টা করতে হবে। একান্তই দমন করা সম্ভব না হলে হাত বাঁধা অবস্থায় হাই এলে ডান হাতের পিঠ মুখের ওপর রাখবে। এছাড়া অন্য অবস্থায় বাম হাতে পিঠ রাখবে। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, নামাজে হাই শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। সুতরাং কারও যদি হাই আসে তবে সে যেন তা যথাসম্ভব দমন করে। (সুনানে তিরমিজি: ৩৭০)


আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, নামাজের মধ্যে তোমাদের কারো হাই আসে, তবে সে যেন যথা সম্ভব তা রোধ করে। কারণ শয়তান এ সময় মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (সহিহ মুসলিম: ৭২২৩)

নামাজ ছাড়া অন্য সময়ও ইচ্ছাকৃত হাই তোলা ভালো নয়। হাই যথাসম্ভব দমন করার চেষ্টা করা উচিত।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা হাঁচি ভালবাসেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেবে এবং ’আলহামদুলিল্লাহ’ পড়বে তখন প্রত্যেক মুসলিম শ্রোতার উচিত হবে তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা। হাই শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। কারো যখন হাই আসে, তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে। যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন শয়তান তা দেখে হাসে। (সহিহ বুখারি: ৬২২৩)

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ