বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

সকালে ৭টি খেজুর খাওয়া নিয়ে হাদিসের বাণী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

খেজুর স্বাদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। হাদিসে খেজুরের উপকারিতার কথা উঠে এসেছে অনেকবার। শুধু পুষ্টি নয়, এর রয়েছে নানা রকম ওষুধি গুণও। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, খেজুর খেলে শরীরে নানা উপকার হয়।

এরমধ্যে মদিনার ‘আজওয়া খেজুর’ নিয়ে রাসুলুল্লাহ সা.-এর একাধিক বর্ণনায় এসেছে আশ্চর্যজনক সব উপকারের কথা।

হজরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন,‘মদিনার উচ্চভূমিতে উৎপন্ন আজওয়া খেজুরের মধ্যে রোগের শিফা রয়েছে। আর প্রথম ভোরে তা খাওয়া হলে এটি বিষের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে (মুসলিম : ৫১৬৮)।’

অন্য এক হাদিসে হজরত সাদ রা. বলেন, আমি নবীজি সা.-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি ভোরে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ বা জাদুটোনা তার ক্ষতি করতে পারবে না (বুখারি : ৫৪৪৫)।’

হজরত আলি (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন সাতটি আজওয়া খেজুর খায়, তার পাকস্থলীর প্রতিটি রোগ দূর হয়ে যায় (কানজুল উম্মাল : ২৮৪৭২)।’

এছাড়া মহানবী (সা.)-এর ইফতারেও খেজুর ছিল প্রধান। হজরত আনাস রা. বলেন,‘নবীজি সা. কাঁচা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। না পেলে শুকনো খেজুর, সেটাও না পেলে পানি (তিরমিজি)।’

উল্লিখিত উপকারিতাগুলো স্মরণে করে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকতে পারে খেজুরও। বিশেষ করে সকালে নিয়ম করে সাতটি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আপনার জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ