শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৯ মাঘ ১৪৩২ ।। ৪ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভোটে লড়ছেন আমিরসহ খেলাফত আন্দোলনের ৮ প্রার্থী এবার সাংবাদিকদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য জামায়াত প্রার্থী আমির হামজার সিলেট-৫: দেওয়াল ঘড়ির সমর্থনে জকিগঞ্জে গণসংযোগ একজন তো দিল্লি গেছে, আরেকজন তো কিছু হলেই পিণ্ডি চলে যায় : তারেক রহমান ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট : প্রধান উপদেষ্টা উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই : জামায়াত আমির ইসলামি দলের শীর্ষ নেতারা কে কোথায় থেকে কাদের সঙ্গে লড়ছেন ইসলামী আন্দোলনের সাথে জামায়াতের যা ঘটলো, এর জন্য আসলে দায়ী কে? হারামাইনে যারা জুমার নামাজ পড়াবেন, নির্বাচনী জনসভা মঞ্চেই জামাতে নামাজ আদায় করলেন তারেক রহমান

চলতি সেমিস্টারের সব পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করলো দিল্লি সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজ্য পরিচালিত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সেমিস্টারের সব পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করল দিল্লি সরকার।

আজ শনিবার দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিসোদিয়া ঘোষণা করেন, ফাইনাল ইয়ার সহ এই সেমিস্টারের সব পরীক্ষাই বাতিল করা হল। আগের বারের পরীক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে ছাত্রছাত্রীরা মার্কশিট পাবেন।

শিসোদিয়া কারণ হিসেবে বলেন, মহামারীর জন্য এই পুরো সেমিস্টারজুড়ে খুব কম পড়াশোনা হয়েছে। গবেষণাগার সহ অন্যান্য সুযোগসুবিধাও বন্ধ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি বলেন, ‌আমরা মনে করি যখন নিয়মিত ক্লাস নেওয়া যায় না তখন পরীক্ষা নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। দিল্লি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সব ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা এবং সেমিস্টারের অন্যান্য পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

শিসোদিয়া আরও বলেন, রাজ্য কোনওরকম ধারা ঠিক করে দেবে না ছাত্রছাত্রীদের নম্বর মূল্যায়নের জন্য। উন্নয়নমূলক পন্থায় কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ঠিক করবে।

দিল্লি সরকার পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে আছে আম্বেডকর বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়, গুরু গোবিন্দ সিং ইন্দ্রপ্রস্থ বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্দিরা গান্ধী দিল্লি টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ফর উইমেন।

তবে দিল্লি সরকারের এই সিদ্ধান্ত জেএনইউ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জেএমআইইউ-র মতো কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপর লাগু হবে না। এদিনই কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র পোখরিয়াল নিশঙ্ক ইউজিসি-র পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ ওই পরীক্ষা ছাত্রছাত্রীদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং নির্ভরশীলতা বিশ্ববাজারকে চেনাতে সাহায্য করে। ‌

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ