বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

ইসকন নিষিদ্ধের দাবি মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনানের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি ও হবিগঞ্জ-০১(নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনান।

তিনি বলেন, “দেশে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে ইসকন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা ছাড়া সরকারের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই।”

আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন আদনান।

তিনি বলেন, “যেভাবে অপরাধে জড়িত থাকার কারণে আওয়ামী লীগের মতো দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অন্যায়ের কারণে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে— ঠিক সেভাবেই ইসকনের মতো উগ্র সংগঠনকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “ইসকন নামের এই সংগঠনটি দেশে অরাজকতা ছড়িয়ে দিচ্ছে। তারা অ্যাডভোকেট আলিফকে হত্যা করেছে, সারা দেশে ব্যাপকভাবে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ ঘটাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ইসলামী নেতৃবৃন্দ ও ইমাম-খতিবদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এমনকি গাজীপুরে মাদারাসাছাত্রী ধর্ষণ এবং খতিব গুমের ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।”

মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনান বলেন, “ইসকন আজ ধর্মীয় সংগঠনের সীমা পেরিয়ে এক উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। তারা ধর্মের আড়ালে ইসলামবিদ্বেষ ও সামাজিক বিভাজন ছড়াচ্ছে। সরকারের প্রতি আমাদের জোর দাবি, এই সংগঠনকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো সংঘাত চাই না, চাই ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতা। ইসলামী নেতাদের ওপর হামলা, নারীদের প্রতি সহিংসতা এবং ধর্মীয় উসকানির বিরুদ্ধে রাষ্ট্র যদি কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে দেশের শান্তি ও সম্প্রীতি মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে।”

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ