শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’ দলীয়করণ ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে ঐকমত্যের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি পরীক্ষা ছাড়া বেফাকের আর কাজ কী? কাল থেকে জিপিএস ছাড়া চলবে না গণপরিবহন ‘লাইসেন্সহীন ও অদক্ষ চালকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ তিন সপ্তাহের বিদেশ সফরে মুফতি আবুল হাসান এমপি

ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে দোষলো ইরান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইরান ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চায় বলে জানিয়েছেন ইরানের ধর্মীয় সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন, এই যুদ্ধের শিকড় প্রোথিত আছে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য পশ্চিমা দেশগুলোর নীতিতে।

এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা বলেছে, মঙ্গলবার তিনি টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে বলেন- আমরা ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে। যেকোনো সঙ্কটের সমাধান করা যায়, শুধু যদি তার প্রকৃত কারণ জানা যায়। এই প্রকৃত কারণ হিসেবে তিনি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নীতিকে চিহ্নিত করেছেন।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাফিয়া শাসকগোষ্ঠী’ বিশ্বজুড়ে অনেক সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে। তারাই সৃষ্টি করেছে আইসিল বা (আইসিস বা আইএস)। আর অন্য দেশের ভিতরে আভ্যন্তরীণ বিষয় মাথা ঘামাচ্ছে জোর করে শাসক পরিবর্তন এবং পশ্চিমাপন্থি শাসক প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, এই একই নীতির ভিকটিম হয়েছে ইউক্রেন। তাদেরকে এরপর বর্তমান পরিস্থিতিতে টেনে নেয়া হয়েছে। এদিন তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ঘন্টাব্যাপী বক্তব্য রাখেন।

তবে একবারের জন্যও তিনি রাশিয়ার নাম উচ্চারণ করেননি। খামেনি বলেন, বিশ্বের সরকারগুলো এবং জনগণের সৃষ্ট ইউক্রেন সঙ্কট থেকে দুটি শিক্ষা নেয়ার আছে। তা হলো, পশ্চিমাদের বিশ্বাস করা যায় না এবং জনসমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পশ্চিমা সরকারগুলোর সমর্থনে যেসব প্রশাসনিক এবং রাজনীতিকদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, তারা সব মরীচিকা। এক্ষেত্রে তিনি আফগানিস্তানে তালেবানদের কাছে পরাস্ত হয়ে বিশৃংখল অবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা উল্লেখ করেন। খা

মেনি আরও বলেন, সরকারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণের সমর্থন। যদি ইউক্রেন সরকারকে দেশের জনগণ পূর্ণাঙ্গ সমর্থন দিতেন, তবে দেশটি আজকের এই অবস্থায় যেতো না। এ সময় তিনি ন্যাটোরও কড়া সমালোচনা করেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ