শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে :পীর সাহেব চরমোনাই ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে? উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী ২ দিন বৃষ্টির আভাস জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ১৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত শেয়ার বাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী রমজান উপলক্ষে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের আটজনের দফতর বণ্টন কে কোন দফতরে?

প্রধানমন্ত্রী ‘মূর্তি পছন্দ করেন না’ বলে ঈমানের পরিচয় দিয়েছেন: প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইমদাদ ফয়েজী, সিলেট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর, জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার এর প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান বলেছেন, দু’শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কওমী মাদরাসা এদেশের তৃণমূল জনসাধারণের সাথে সম্পৃক্ত, সাধারণ জনগণের অর্থ-সাহায্যের মাধ্যমে তা পরিচালনা করে। কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির কারণে দেশের মানুষ আনন্দিত। তবে গুটি কয়েক বাম ও মাজারপন্থীদের গা জ্বালা শুরু হয়েছে। কেননা কওমী মাদরাসা সকল বাতিল ও নাস্তিকদের ত্রাস। মুশরিক ও কমিউনিষ্টরা এসব দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের উন্নতি মেনে নিতে পারে না।

প্রিন্সিপাল হাবীব কওমী স্বীকৃতি ও সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মূর্তি অপসারণের ঘোষণা দেয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, যত দ্রত স্বীকৃতি বাস্তবায়ন হবে এবং মূর্তি অপসরণের ঘোষণা বাস্তবায়ন হবে, ততো বেশি দেশ-জাতির কল্যাণ হবে।

প্রধানমন্ত্রী মূর্তি পছন্দ করেন না বলে নিজ ঈমানের বহিঃপ্রকাশ করেছেন। দ্রত মূতি অপসারণের মাধ্যমে সেই ঈমানী চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি গতকাল বুধবার ঐতিহ্যবাহী জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজিরবাজার এর উদ্যোগে কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি ঘোষণায় শোকরানা মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জামেয়ার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা সামিউর রহমান মুসার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামেয়া মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, মাওলানা মুসফিকুর রহমান মামুন, মাওলানা ফাহাদ আমান, ছাত্রনেতা তারেক বিন হাবিব, হাজী আব্বাস জালালী, নূর আহমদ সুমন, ইকরামুল হক জুনাঈদ, আবুল হুসাইন জিরান, হাফিজ কয়েছ আহমদ, মঈন উদ্দীন, হাফিজ হিফজুর রহমান প্রমুখ।

এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ