রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ

চ্যাটজিপিটির চেয়ে  প্রায় ৩৭৩ গুণ বেশি সার্চ হয় গুগলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চ্যাটজিপিটির চেয়ে প্রায় ৩৭৩ গুণ বেশি সার্চ হয় গুগলে। একসময় ইন্টারনেটে ঢুকে কোনো তথ্য খুঁজতে একমাত্র ভরসা ছিল সার্চ ইঞ্জিন। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গুগল প্লাটফর্মটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চ্যাটজিপিটি ও অন্যান্য এআই টুলের আগমনে এখন তথ্য খোঁজার বিকল্প মাধ্যমে পরিণত হয়েছে এসব প্লাটফর্ম।

ফলে গুগলের সার্চ আধিপত্য কমে যাচ্ছে বলে ধারণা করেন অনেক বিশেষজ্ঞ, বিশ্লেষক এমনকি ব্যবহারকারীরাও। কিন্তু ব্যবহারকারীরা বড় সংখ্যায় গুগল ছেড়ে এআই সার্চ ইঞ্জিন বা চ্যাটবটের দিকে ঝুঁকছে, এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি সাম্প্রতিক গবেষণায়।

খবর সার্চ ইঞ্জিন ল্যান্ড প্রতিবেদনে বলছে, ২০২৪ সালে চ্যাটজিপিটির তুলনায় গুগলে বিভিন্ন বিষয় সার্চ করা হয় প্রায় ৩৭৩ গুণ বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যদি চ্যাটজিপিটিতে প্রতিদিন ১০০ কোটি বিষয়ও সার্চ হয়, তবু সার্চ ইঞ্জিনের বাজারে এর হিসাব ১ শতাংশের কম হবে।

সেমরাশের এক গবেষণা অনুযায়ী, চ্যাটজিপিটি প্রশ্নের ৪৬ শতাংশ উত্তর দেয় ওয়েব সার্চ ব্যবহার করে। এছাড়া চ্যাটজিপিটিতে ৩০ শতাংশই এমন প্রশ্ন বা অনুরোধ থাকে, যা সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনেও করা হয়।

সার্চ ইঞ্জিন ল্যান্ড বলছে, গত বছর গুগল পাঁচ ট্রিলিয়ন বা পাঁচ লাখ কোটির বেশি সার্চ পরিচালনা করেছে, যা প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার কোটি সার্চের সমান। ফলে গুগলের বাজার হিসাবে ৯৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

গুগলে বেশি সার্চ হওয়া মানে এই নয় যে মানুষ বেশি ওয়েবসাইটে ক্লিক করছে। বাস্তবে ২০২৪ সালে গুগলের আনুমানিক ৬০ শতাংশ সার্চে কোনো ক্লিক পড়েনি। অর্থাৎ তিন ট্রিলিয়নের (তিন লাখ কোটি) বেশি সার্চে ব্যবহারকারীরা কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করেনি।

অন্যদিকে চ্যাটজিপিটি প্রতিদিন আনুমানিক ৩ কোটি ৭৫ লাখ অনুরোধ পায়, যা বাজারের দশমিক ২৫ শতাংশ। এ সংখ্যা মাইক্রোসফট বিং (৪ দশমিক ১০ শতাংশ), ইয়াহু (১ দশমিক ৩৫ শতাংশ) এবং ডাকডাকগোর (দশমিক ৭৩ শতাংশ) চেয়েও কম।

এদিকে পুরনো সার্চ করার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনছে গুগল। অর্থাৎ কিওয়ার্ড টাইপ করে লিংক, ছবি ও তথ্য খোঁজা এখন আর একই রকম থাকবে না। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি নতুন পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশ করেছে টেক জায়ান্টটি।

‘ডিজিটাল এজেন্ট’ নামে এআই চালিত একটি সিস্টেম ওয়েব ঘেঁটে ব্যবহারকারীর আশপাশের পরিবেশ, পছন্দ ও রুচির ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, অনেকটা চ্যাটজিপিটির মতোই।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ