শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
অবশেষে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে’ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হামলায় বিকৃত হয়ে গেছে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল! হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি

ড. ইউনূসের মেগাফোন কূটনীতিতে অস্বস্থিতে ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার মেগাফোন কূটনীতিতে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবিসির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সম্পাদক আনবারাসান ইথিরাজান দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেছেন।

শেখ হাসিনাকে ভারতপন্থি হিসেবে দেখা হয়। তার সময়ে অর্থনৈতিক সম্পর্কের দিক দিয়ে বেশ ভালো সময় পার করছে। এমনকি নিরাপত্তাগত দিক দিয়েও সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে। কেননা তিনি ভারতবিরোধী গোষ্ঠীকে কঠোর হাতে দমন ও সীমান্তের অমীমাংসিত কিছু বিষয় নিষ্পত্তি করেছেন। তিনি দেশ ছেড়ে যাওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের গভীর সম্পর্কের মধ্যে এক জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ড. ইউনূসের বার্তায় বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে সাক্ষাৎকার দেন ড. ইউনূস। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে না ফেরানো পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করতে হলে, তার চুপ থাকা উচিত। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য চাপ বাড়ছে।

ড. ইউনূস বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত ও বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। এ সম্পর্ক বর্তমানে তলানিতে রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। তার এমন মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে তারা এমন মন্তব্যে হতাশ হয়েছেন।

ভারতের সরকারি এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভারত বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য অপেক্ষা করছে তারা। এ ছাড়া নয়াদিল্লি এসব মন্তব্যের বিষয়গুলো নথিভুক্ত করছে।

ভারতের সাবেক এক কূটনীতিক বলেন, মেগাফোন কূটনীতির মাধ্যমে ড. ইউনূস ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা করছেন। তিনি অমীমাংসিত বিষয়গুলো মিডিয়ার সামনে আনার চেষ্টা করছেন।

জেএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ