বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


আজান, জবাব ও দোয়া পাঠের ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লাজ্জাস আল-হাবীব

আজান হলো ইসলামে ইবাদতের অন্যতম ঘোষণা, যা মানুষকে শ্রেষ্ঠ স্তম্ভ নামাজ ও ইবাদতের দিকে আহ্বান করে। এই ঘোষণার ডাকে সাড়া দিয়ে মনোযোগ সহকারে জবাব দেওয়া এবং আজানের পর নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। সহিহ হাদিসে এ বিষয়ে অসংখ্য ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।

আজান কী এবং এর গুরুত্ব

আজান মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য একত্রিত করার ইসলামি পদ্ধতি। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য পাঁচবার মসজিদ থেকে আজান দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেন যখন নামাজের সময় হয়, তোমাদের কেউ যেন আজান দেয় এবং তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি যেন ইমামতি করে। [সুনানে আবু দাউদ]

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নাতে মুআক্কাদা কেফায়া। অর্থাৎ কোনো মহল্লার মসজিদে যদি আজান না হয়, তাহলে এলাকার সব মুসলমান সুন্নত ছেড়ে দেওয়ার গুনাহে দায়ী হবে। মসজিদ ছাড়া বাড়িতে বা অন্য কোথাও একাকী বা জামাতে নামাজ পড়লেও আজান দেওয়া মুস্তাহাব।

আজান দেওয়ার ফজিলত

আজান দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। মুয়াজ্জিন আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে বিবেচিত হয়।

: ১/ গুনাহ মাফ ও সাক্ষ্যদাতা

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু থেকে বর্ণিত নবী সল