সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১২ মাঘ ১৪৩২ ।। ৭ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জনকারী জামিআ রাব্বানিয়ায় ভর্তি তারিখ ঘোষণা কাল শুরু হচ্ছে দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ তুষারঝড়, ১৪ জনের প্রাণহানি হজযাত্রীদের সেবায় এবার বৈদ্যুতিক বাস চালু হল রাজনৈতিক দলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন: ইসি সানাউল্লাহ ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দিলো দুর্বত্তরা মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখাই আমাদের লক্ষ্য: শায়খে চরমোনাই ‘ইসলামি ও জাতীয়তাবাদী শক্তির সমন্বয়ে দেশ গঠনের সম্মিলিত চেষ্টা সময়ের দাবি’  মৌলভীবাজার–৪ আসনে মাওলানা হামিদীর পক্ষে নামছেন আমিরে মজলিস জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষার অধ্যাদেশ জারি

জুমআর দিন আগে মসজিদে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন হচ্ছে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে। রাসুল স. বলেন, ‘জুমার দিন সপ্তাহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৮৪) আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৯৮)

জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- আগেভাগে মসজিদে যাওয়া। এর অনেক ফজিলতও রয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো, এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ..।’ (সুরা জুমা: ৯)

 

জুমার দিন তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ স. বলেছেন, ‘যখন জুমার দিন উপস্থিত হয় ফেরেশতারা মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রথম থেকে পর্যায়ক্রমে আগন্তুকদের নাম লিখতে থাকে। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি উট সদকা করে। তারপর যে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি গাভী সদকা করে। তারপর আগমনকারী মুরগি সদকাকারীর মতো। তারপর আগমনকারী একটি ডিম সদকাকারীর মতো। এরপর যখন ইমাম খুতবা দিতে বের হন, তখন ফেরেশতারা তাদের দফতর বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ  দিয়ে খুতবা শুনতে থাকেন।’ (বুখারি: ৮৮২)

জুমার দিনের জন্য প্রস্তুত হওয়াতেও রয়েছে বিপুল সওয়াব। আউস ইবনে আউস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল স.-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করাবে এবং নিজেও গোসল করবে অথবা উত্তমরূপে গোসল করবে এরপর ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদে আসবে, আসার সময় হেঁটে আসবে, কোনো বাহনে চড়বে না, ইমামের কাছাকাছি বসবে, এরপর দুটি খুতবা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং (খুতবার সময়) কোনো অনর্থক কাজকর্ম করবে না, সে মসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপে একবছর নফল রোজা ও একবছর নফল নামাজের সওয়াব পাবে।’ (আবু দাউদ: ৩৪৫)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কোরআন-হাদিসের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আগেভাগে মসজিদে যাওয়া, খুতবা শোনা ও জুমার নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ