মিসরের রাজধানী কায়রোতে চলছে আন্তর্জাতিক বইমেলার ৫৭তম আসর। ফ্রাঙ্কফুর্টের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বইমেলায় এবারও বাংলাদেশের কয়েকজন লেখকের বই স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক রচিত আরবি গ্রন্থগুলো বেশ সাড়া ফেলে। তাঁর বিখ্যাত আরবি গ্রন্থ ‘আল-মাদখাল ইলা উলুমিল হাদিসিশ শরিফ’ বেস্ট সেলারের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা জানান, মুফতি আব্দুল মালেকের গবেষণামূলক নতুন গ্রন্থগুলোও আন্তর্জাতিক পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে মুফতি আব্দুল মালেকের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন করে চিনছে।
২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলাটি জেনারেল ইজিপশিয়ান বুক অর্গানাইজেশন (GEBO)-এর তত্ত্বাবধানে চলছে। অংশ নিয়েছে ৮৩টি দেশ। মেলা প্রাঙ্গণের হলগুলো বিষয়ভিত্তিক ভাগে সাজানো হয়েছে। ১ নম্বর হলে আয়োজক সংস্থা এবং কালচারাল প্যালেস অথরিটি। ২ ও ৩ নম্বর হলে বিদেশি প্রকাশনী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনা সংস্থা।
৪ নম্বর হলে ধর্মীয় প্রকাশনা ও আল-আযহার প্যাভিলিয়ন। এখানে ফতুয়া কর্নার রয়েছে এবং বিনামূল্যে উপহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ৫ নম্বর হলে শিশুদের জন্য বিশেষ কর্নার, যেখানে নামমাত্র মূল্যে বই ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান এই মহাযজ্ঞে অংশ নিয়েছে ১,৪৫৭টি প্রকাশনী এবং ৬,৬৩৭ জন প্রদর্শক। মেলাটিকে ঘিরে আয়োজন করা হয়েছে প্রায় ৪০০টি সাংস্কৃতিক কর্মশালা। পার্সোনালিটি অব দ্য ইয়ার: এবারের মেলাটি উৎসর্গ করা হয়েছে মিশরের নোবেলজয়ী সাহিত্যিক নাগিব মাহফুজ-কে।
এনএইচ/