বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার

‘জঙ্গি নাটক’ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবি হারুনসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক জঙ্গি নাটক মামলায় প্রথমবারের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামি হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম।

প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এ নিয়ে শুনানির পর পরবর্তী দিন ধার্য করবেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলেও প্রসিকিউসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল পরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে তারা ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে প্রচার করে। নিহতদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তদন্তে উঠে আসে যে তারা বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হন এবং পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

উল্লেখ্য, নিহত সাতজনের একজন ছিলেন ইবরাহীম। তিনি যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ইবরাহীম কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের ঘটনায় নতুন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি হলে ইবরাহীমের বাবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে ছেলের গুম ও হত্যার অভিযোগ করেন। সে অভিযোগই পরবর্তীতে এই মামলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ