শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস পালিত ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া ‘সবার সহায়তায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ স্বপ্ন দেখে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নয়, কাবার ইমামের সতর্কবার্তা আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমিই: আমির হামজা সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আলেমদের অবদান তুলে ধরলেন মাওলানা আরশাদ মাদানী ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন চালু  

আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবি বাস্তবায়নে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে আন্তর্জাতিক তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে পাঠানো লিখিত বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে রাজধানীতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ধর্মমন্ত্রী সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আন্তর্জাতিক তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী।

লিখিত বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি—আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল ও সর্বশেষ নবী। তাঁর পর কিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবীর আগমন ঘটবে না। এটি ইসলামের অন্যতম মৌলিক আকিদা এবং প্রতিটি মুমিন-মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি।’

তিনি বলেন, আজকের সম্মেলনের চেতনা শুধু উলামায়ে কেরামের নয়; বরং এটি প্রতিটি তাওহিদী মুসলমানের ঈমানি চেতনা। তিনি আকিদায়ে খতমে নবুওয়াতের সঙ্গে পূর্ণ একমত পোষণ করেন।

সম্মেলন থেকে সরকারের কাছে উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘উলামায়ে মাশায়েখের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে যেসব যৌক্তিক ও ঈমানি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়নে আমি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে এবং ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ইসলামি মূল্যবোধসম্পন্ন এবং উলামায়ে কেরামের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও উলামায়ে কেরামের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। তাই সম্মেলন থেকে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো সরকার বিশেষ বিবেচনায় নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের যাবতীয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্তের দাবিতে আয়োজিত এ জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে স্বশরীরে উপস্থিত থাকার তাঁর তীব্র ইচ্ছা ছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি।

লিখিত বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তরের আকুলতা ও ঈমানি তাগিদ থেকে আমার লিখিত বক্তব্য ও বার্তা আপনাদের সম্মুখে প্রেরণ করছি। এই মহতি আয়োজনে আমাকে সম্পৃক্ত করার জন্য আয়োজকবৃন্দকে আন্তরিক মুবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামের এই ‘মোবারক কাফেলায়’ যুক্ত হতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে সম্মেলনে উপস্থিত আলেম-ওলামা ও মুসল্লিদের কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করেন ধর্মমন্ত্রী।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ