শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ ।। ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

এক হতে না পারার খেসারত কি দিচ্ছে হেফাজত-জমিয়ত?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আহমদ যাকারিয়া: হেফাজতের বা জমিয়তের সকল পক্ষ এক হয়ে দলগত চেষ্টা করলে মন্ত্রিত্ব পাওয়া যেতো, কিন্তু এরকম করা হয়নি। পাশাপাশি সরকারের ভিতরে নিজেদের লোক থাকা লাগে। যেটা হেফাজত বা জমিয়তের কোনো স্টাবলিশমেন্ট নেই আমলা বা সরকারে।

রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনায় "The Establishment" বলতে অনেক সময় দেশের ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী গোষ্ঠী (যেমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক নেতৃত্ব, বা প্রভাবশালী অভিজাত শ্রেণি) বোঝানো হয়। যেমন আওয়ামী লীগ আমলে সালমান এফ রহমান সালাফি ছিলেন, মেয়র আবু সাইদ আহলে হাদিসের কেন্দ্রীয় লিডার ছিলেন। ইলেকশনের পরে হেফাজতের একজন কুশীলব তদবিরের পাশাপাশি আমিরের চিঠিও এনেছিল নিজের জন্য, কিন্তু কাজ হয়নি।

এদিকে জমিয়তের নীতিনির্ধারকদের একজনের আড়ালে আরেকজন আলাদাভাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। যার কারণে একজনও হন নাই। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান হচ্ছেন সালাফি চিন্তার মানুষ। নুর, পার্থ, সাকি, ববি হাজ্জাজ মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন, সামনে মাহমুদুর রহমান মান্না ও সাইফুল হকও পাবেন। কারণ তাদের দলে লোক কম ও তাদের সম্পর্ক জনগণের সাথে না থাকলেও স্টাবলিশমেন্ট এর সাথে সম্পর্কের পাশাপাশি কূটনৈতিক পাড়ায় রয়েছে যথেষ্ট কদর। এক ববির স্ত্রীর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার দিয়ে বিবিসিসহ হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের অনেক কিছু ভাগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আর এদিকে আলেমদের হাতে বিএনপি মুলা ধরিয়ে দিয়েছে। বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে আলেমদের যে অবদান, এর বিপরীতে নুর, সাকি, ববি, পার্থদের অবদান সামান্য হলেও তাদের স্টাবলিশমেন্ট এর সাথে বোঝাপড়া থাকায় তাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। এরপরও যদি আলেমগণ এক না হোন, তাহলে এরচেয়ে দুঃখের কিছু নেই।

লেখক: চিন্তক ও আলেম লেখক

টিএইচএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ