বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ১০ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘আমরা বিদায় নিতে প্রস্তুত, অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন’ শেরপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার এআই ব্যবহৃত কোরআনের ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য, মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি দ্বিতীয়বারের মতো চাঁটিগাও বিজয় দিবস পালিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনকালীন ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি তাইসির থেকে তাকমিল পর্যন্ত ভর্তি নিচ্ছে জামেআ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, প্রার্থীকে বহিষ্কার করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে ইমামদের ভূমিকা অনস্বীকার্য’ ৫৪ বছরের ব্যর্থতার পরে ইসলামকে সুযোগ দিন: পীর সাহেব চরমোনাই ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৬৩ শতাংশ

শেরপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শেরপুরের জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ বিষয় জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ইসি সচিব জানান, ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জুডিশিয়াল অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের পর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের নিহতের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) সরানোর দাবি জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম। আজ দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।
 
 গতকাল ২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে বসেন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শতাধিক মানুষ আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন রেজাউল করিমসহ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। 

অপরদিকে এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন দাবি জানান, এই সংঘাত এড়ানো যেত কি না, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখলো? সেই দলের লোকজন কেন সেখানে লাঠিসোঁটা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ