শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ ।। ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সংকটে বিরোধীদের ঐক্যের ঘোষণা মাওলানা ফজলুর রহমানের লাইভে শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রশ্নোত্তর নিয়ে এবার আসছে বই ২৫ বছরের ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নতুন লোগো অনুমোদন গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় শায়খ ইলিয়াস গুম্মানের বিশেষ দরস ও তাকরির ‘মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি রোধে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে যুব আন্দোলনকে’ সিলেটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ৪ মুসলিম প্রতিবেশীর ওমরাহর স্বপ্ন পূরণে কুরআন প্রতিযোগিতায় খ্রিস্টান যুবক ইসলামি অর্থনীতি ও শরিয়াহ গবেষণায় যৌথভাবে কাজ করবে তিন প্রতিষ্ঠান বিশ্বজয়ী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সংবর্ধনা

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শি জিনপিংয়ের হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে বেইজিং। এক ফোনালাপে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেন, তাদের দেশের হংকং, তিব্বত, তাইওয়ান ও শিনজিয়াং এর ব্যাপারে ওয়াশিংটন যেসব নেতিবাচক কথা বলছে এবং কর্মকাণ্ড করছে তা নিয়ে বেইজিং ভীষণ উদ্বিগ্ন।

জানা যায়, শি জিনপিং ট্রাম্পকে আরো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এসব কর্মকাণ্ড চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশটির জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দুই দেশের মধ্যকার যে আস্থা রয়েছে তা নষ্ট হচ্ছে। তাই মার্কিন সরকারকে এ ধরনের হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান শি।

ট্রাম্পের অনুরোধের প্রেক্ষিতেই এ ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়া। এদিকে ওই টেলিফোনালাপের পর পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি টুইট করেন।

টুইট বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, ফোনালাপে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় দুই দেশের সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি থেকে শুরু করে হংকং ও উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা হয়। চীন এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিভিন্ন পণ্য আমদানি শুরু করেছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, চীন ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যকার এই ফোনালাপের এক সপ্তাহ আগেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে 'ফেজ-ওয়ান' নামের একটি চুক্তির ব্যাপারে একমত হয় ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের প্রতিনিধিরা। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন পণের আমদানি বাড়াবে চীন এবং এর বিনিময়ে তাদের দেশে চীনা পণ্য প্রবেশের ওপর ধার্য করা শুল্ক দূর করবে যুক্তরাষ্ট্র।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ