নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ ১৩৩ দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করা বাংলাদেশের বিশ্বজয়ী হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে বরিশালের চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বহু বছর ধরে বাংলাদেশের তরুণ হাফেজে কোরআনরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করে আসছেন। বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তারা বিভিন্ন বিভাগে প্রথম স্থানসহ শীর্ষস্থান অর্জন করে বাংলাদেশের নাম ও সম্মান উজ্জ্বল করছেন। এটি দেশের জন্য গৌরবের বিষয়।
তিনি বলেন, ‘কোরআনকে ধারণ করে যারা বিশ্বের দরবারে দেশের সম্মান উজ্জ্বল করছেন, তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া উচিত। তাদের অর্জনকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় উদযাপন করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।’

হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়ার আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের খবর পেয়ে পীর সাহেব চরমোনাই তাকে, তার উস্তাদ আর রায়হান মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি কাইয়ুম মোল্লা এবং তার পিতা মাওলানা নুরুল আমিনকে চরমোনাইয়ে আমন্ত্রণ জানান। তাদের সম্মানে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই; প্রিন্সিপাল মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের; কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক হাসিব আর রহমানসহ চরমোনাই জামেয়ার উস্তাদরা।

এদিকে, একই আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশের আরেক বিশ্বজয়ী হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফীকেও পীর সাহেব চরমোনাই আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া সৌদি আরবের ওই প্রতিযোগিতায় নারী বিভাগে বিজয়ী বাংলাদেশি প্রতিযোগীদের কাছেও সংবর্ধনাপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
আইও/