বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮


নাজমুল হুদা মজনুর কবিতা ত্রয়ী 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: এআই

ফি আমানিল্লাহ

ভালো কাজ শুরুতে বলো বিসমিল্লাহ 
বরকত বেড়ে যাবে বাড়বে যে জিল্লাহ

রাব্বুল আলামিন তিনি মহান আল্লাহ 
পাঠালেন আরবে মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ

দরুদ পড়ো তার‌ নামে যিনি হাবিবুল্লাহ   
করো সবে জিকির লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ 

রহমানুর রহিম মাওলা দয়াময় আল্লাহ 
নামের জিকিরে ভারী মিজানের পাল্লা

আকাশে পড়ে ফেরেশতা নদীতে মাল্লা
লাখো দরুদ গায় নবী-নামে সাল্লাল্লাহ

সবুজ শ্যামল শস্যে আলহামদুলিল্লাহ 
পাহাড় সাগর ঝরনাধারা সুবহানাল্লাহ 

মাতা পিতা ভাই বোন কত‌ মাশাআল্লাহ 
প্রাণ ভরে দোয়া করো ফি আমানিল্লাহ

আল্লাহু আকবার সব চেয়ে বড় আল্লাহ
মৃত্যুর স্বাদ নেবে তো সবাই  ইন্নালিল্লাহ

 

আজ‌ও টিকে আছি

আমি জেগে  ছিলাম শুভ্র সকালে 
ভাবিনি চুলদাড়ি পাকবে অকালে।
দুনিয়া নামের নাচনী নাচে ধিন তা
জীবন জটিল হয়ে বাড়লো চিন্তা।
আয়নায় মুখ দেখে চমকাই রোজ,
হঠাৎ হারিয়ে যে তারুণ্য নিখোঁজ।
পকেটে জমানো কিছু কষ্টের কথা,
বুকের গহীন কোণে জমে হয় ব্যথা।
হিসাবের খাতায় বেশ ঝুটঝামেলা 
দুপুর রোদেই দেখি সন্ধ্যা অবেলা।
কী করে ফুরায় আনন্দ আর খুশি 
সব‌ই আমার ভুল নাকি অন্যে দুষি।
তবু তো বেঁচে থাকা বেদনায়  পুড়ে,
সময় গেয়ে যায় গান হারানো সুরে।
ক্লান্তির চাদরে ঢাকা পড়ে প্রতিদিন,
চারি দিকে বাড়ে যে কত শত ঋণ।
মায়াময় স্বপ্ন চাঁদের খুব কাছাকাছি 
আল্লাহ ভরসা আজ‌ও টিকে আছি। 

 

লুটে নেয় কবিতার ছন্দ

ভালোবেসেই দিলাম তোমায় ফুল 
তুমি ফুটিয়ে দিলে বিষে ভরা হুল।
তীব্র জ্বালাতে অস্থির আমার বুক
আঘাত দিয়েই তুমি খোঁজো সুখ।

ইচ্ছে হলে দিতে পারো শান্তির সুধা 
কষ্ট দিয়েই কি মিটে তোমার ক্ষুধা।
তাকিয়ে দেখো আকাশে বিশালতা 
শুনতে পাও না বাতাসের কথকতা।

পাহাড়ের দৃঢ় কঠিন চূড়া কী যে স্থির
সাগরসৈকত সয় যে মানুষের ভিড়।
আকাশজুড়ে চাঁদের স্বচ্ছ আলোতে 
ভেদ নেই যে কোনো মন্দ ভালোতে।

মমতায় ভরা মৃত্তিকা কত সহনশীল 
বয়ে যায় অবিরাম নদী খাল বিল।
তোমাতে আমাতে কেন যে এত দ্বন্দ্ব
ঘাতকেরা লুটে নেয় কবিতার ছন্দ।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ