শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ বছরে ৬০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টেলিফোন করে নিজের এবং বাদশাহ সালমান বিন আবদুলাজিজ আল সৌদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন সৌদি আরবের যুবরাজ ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।

সেই সঙ্গে আগামী চার বছর, অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদের পুরো সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগেরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

জবাবে ট্রাম্প কী বলেছেন, তা জানা জায়নি; তবে অনেক আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক ধারণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম বৈদেশিক সফরের জন্য সৌদি আরবকে বেছে নেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

এর আগে ২০১৭ সালে যখন প্রথম দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন ট্রাম্প, সেবারও তার প্রথম বিদেশ সফর হয়েছিল সৌদিতেই।

গত ২০ জানুয়ারি, সোমবার প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নিজের গত মেয়াদে সৌদি সফরের জন্য রিয়াদকে একটি শর্ত দিয়েছিলেন তিনি; সেই শর্তটি ছিল— তার মেয়াদের চার বছরে সৌদি যদি অন্তত ৪৫ হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে দেশটি সফরে যাবেন তিনি। যুবরাজ সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং তারপরই ২০১৭ সালে সৌদি সফরে যান ট্রাম্প।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “এবার আমার শর্ত থাকবে— সৌদি আরব যদি ৫০ হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ মার্কিন পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে আমি দেশটি সফরে যাব। এমনকি আমার প্রথম বৈদেশিক সফরও হতে পারে এটি।”

তিনি এ বক্তব্য দেওয়ার তিন দিনের মধ্যেই ট্রাম্পকে টেলিফোন করে শুভেচ্ছা ও বিনিয়োগের প্রস্তাব জানালেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

এটি অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয় যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি না কি বেসরকারি— কোন ধরনের খাতে যুবরাজ বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক, তবে তিনি বলেছেন— মার্কিন সরকার যদি সহযোগিতা করে এবং পরিস্থিতি যদি অনুকূলে থাকে তাহলে বিনিয়োগের অর্থ আরও বাড়তে পারে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন ২০১৭ সাল। ওই একই বছর দেশটির যুবরাজ হন মোহাম্মদ বিন সালমানও। তারপর থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে সৌদি যুবরাজের বেশ ঘনিষ্ঠ হয় ট্রাম্পের সম্পর্ক।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ