শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সীমিত করে সংকটে ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে যে এক ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে, তা চলছে এখনও। সমাধান হচ্ছে না ভারত ভ্রমণে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতারও। খুবই সীমিত পরিসরে ভিসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

এ ভিসা প্রতিবন্ধকতায় একদিকে যেমন বিপাকে পড়েছেন ভারতীয় হাসপাতালগুলোর শরণাপন্ন হওয়া বাংলাদেশি রোগীরা, তেমনি অন্যদিকে বিদেশি রোগীর সংকটে পড়েছে ভারতের চিকিৎসা খাতও। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ৫০ শতাংশেরও বেশি বিদেশি রোগী হারিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন গড়ে প্রায় ২০ লাখ বিদেশি রোগী, যাদের ৬০ শতাংশই বাংলাদেশি। কিন্তু বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ কমে গেছে ভারতের হাসপাতালগুলোতে।

অথচ, বিদেশি রোগীদের কাছ থেকে বেশ বড় ধরনের আয় হয় ভারতের, যা দেশটির অর্থনীতিতেও বিশাল অবদান রাখে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু ২০২৩ সালে এই মেডিকেল ট্যুরিজম খাত থেকে প্রায় ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার (৭৭ হাজার ১৮৯ কোটি রুপি) যোগ হয় ভারতের অর্থনীতিতে।

বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, শেখ হাসিনার পতনের আগে বাংলাদেশে ভারতের পাঁচটি ভিসা কেন্দ্রে দৈনিক অনলাইন ভিসার স্লট ছিল ৭ হাজার। আর এখন এই সংখ্যা মাত্র ৫০০-তে নামিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশি রোগী যাওয়া কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কলকাতার হাসপাতালগুলো। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট কলকাতার মাল্টি-স্পেশালিটি পিয়ারলেস হাসপাতালের বহির্বিভাগে আগে দিনে যেখানে অন্তত ১৫০ জন বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসা নিতেন, এখন সেখানে পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশি ৩০ জন রোগীও।

এ ব্যাপারে ভারতের স্বাস্থ্যসেবা অ্যাসোসিয়েশনের আলেকজান্ডার থমাস জানান, বেঙ্গালুরুর নারায়ণ হেলথ, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো এবং ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজও (সিএমসি) ভারত সরকারের এই ভিসা প্রতিবন্ধকতার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ