রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮


সুরা মুলক: ফজিলত ও তিলাওয়াতের সময়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক

মুমিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো পবিত্র কুরআন। মুমিন দিনে-রাতে যখনই সুযোগ পাবে, তখনই কুরআনের তিলাওয়াতে নিজেকে ব্যস্ত রাখবে। এটা বরকত ময় ও সৌভাগ্যপূর্ণ জীবনের দাবিও বটে।

পবিত্র কুরআনের সুরাগুলোর নানা ফজিলত হাদিসে বর্ণিত। মুলক কুরআনের ৬৭তম সুরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ। এই সুরায় ২টি রুকু এবং ৩০টি আয়াত রয়েছে।

সুরা মুলক পাঠের ফজিলত অনেক। হজরত আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কুরআনে এমন একটি সুরা আছে, যার আয়াত ৩০টি। এই সুরা যে পাঠ করবে, সেই ব্যক্তির জন্য সুরাটি সুপারিশ করবে এবং তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। সুরাটি হলো তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলকু।’ (তিরমিজি শরিফ: ২৮৯১)

নিয়মিত রাতের যেকোনো সময় সুরা মুলক তিলাওয়াত করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুরা সাজদাহ ও সুরা মুলক তিলাওয়াত করা ছাড়া ঘুমাতেন না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৯২)

তবে তার মানে এই নয়—এই সুরা দিনে পড়া যাবে না। যেকোনো সময়ই পড়া যাবে, তবে রাতে বিশেষ জিকির হিসেবে এ সুরা পড়ার কথা হাদিসে এসেছে; তাই প্রতি রাতে সুরাটি পড়া উত্তম। মুখস্থ না থাকলে দেখে দেখে অর্থ বুঝে পড়লে বিশেষ সওয়াব পাওয়া যায়। সুরাটি নামাজের সঙ্গে পড়াও অনেক সওয়াবের।

এশার নামাজের পরেই সুরা মুলক পড়ে নেওয়া ভালো। কারণ, পরে মনে নাও থাকতে পারে। উলামায়ে কেরাম তাই এশার নামাজের পরপরই সুরা মুলক পড়ার তাগিদ দিয়ে থাকেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ