আওয়ার ইসলাম: করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় অনেকটা লাগামহীনভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ বাড়ছে। সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো।
গতকাল রোববার করোনা মোকাবেলায় স্পেনে আবার জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। জরুরি অবস্থার পাশাপাশি রাতে কারফিউও জারি করা হয়েছে।
পেদ্রো সানচেজ জানিয়েছেন, জরুরি অবস্থার আওতায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে। এ ছাড়া গতকাল রাত থেকেই বলবৎ হওয়ার কথা কারফিউ।
এদিকে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ইতালি কর্তৃপক্ষও আবার বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দেশটিতে সিনেমা হল, থিয়েটার, জিম ও সুইমিংপুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ইতালির কর্তৃপক্ষ গতকাল এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়। বিধিনিষেধের এই সিদ্ধান্তগুলো আজ সোমবার থেকে কার্যকর হচ্ছে।
ফ্রান্সেও করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন করে সতর্কবাণী দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। করোনা মোকাবিলায় আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ফ্রান্সে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে রাতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এই কারফিউর আওতায় রয়েছে ৪ কোটি ৬০ লাখ মানুষ।
রাশিয়ায় করোনার টিকার প্রয়োগ শুরু হলেও দেশটিতে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মস্কোর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দিতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি ও সিএনএনের বিশ্লেষণ অনুসারে, এখন সংক্রমণের হারে যেসব দেশ শীর্ষে, সেগুলোর মধ্যে ইউরোপেরই পাঁচ দেশ রয়েছে। দেশগুলো হলো চেক প্রজাতন্ত্র, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স।
ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতেও সংক্রমণ বাড়ছে। সূত্র: বিবিসি।