বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

নোয়াখালীতে ফিল্মি স্টাইলে শহীদ রিজভীর ছোট ভাইকে কুপিয়ে জখম


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগ্রহিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় জুলাই-গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ রিজভীর ছোট ভাইকে শাহরিয়ার হাসান রিমনকে (১৬) মধ্যযুগীয় কায়দায় কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করা হয়েছে।  


রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মাইজদী শহরের বালিংটন মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।  

রিমন নোয়াখালী পৌরসভার বালিংটন মোড় এলাকার ব্যাংকার মো.জামাল উদ্দিনের ছেলে এবং জুলাই-গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ মাহমুদুল হাসান রিজভীর ছোট ভাই।  

রিমনের মা ফরিদা ইয়াছমিন জানান, রিমন স্থানীয় হরিনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। গত দুই দিন আগে রিমনের স্কুলের বন্ধুদের সাথে বাহিরের কয়েকজন ছেলের ঝগড়া হয়। বিষয়টি আমাকে এবং স্কুলের শিক্ষকদের জানায় সে। রিমন ঝামেলা সৃষ্টিকারীদের বলে আমি শহীদের ভাই। আমি চাইনা আর কোনো মায়ের বুক খালি হোক, দেশে আর কোনো ঝামেলা হোক। আমি জানি স্বজন হারানোর বেদনা কি। পরে বিষয়টি রিমন মীমাংসা করে দেয়। এজন্য বাহিরের ছেলেরা তার জন্য স্কুলের তার বন্ধুদের মারতে পারেনি। এতে তারা রিমনের ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। রোববার বিকেলে স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে ওই ছেলেরা রিমনকে পিছন থেকে ডেকে অতর্কিত ভাবে পিঠে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়া তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে যায়। আঘাত গুরুত্বর হওয়ায় সেখান থেকে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন।      

তিনি আরও জানান, পিঠে ৩টিসহ মোট তাকে ৬টি ছুরিকাঘাত করা হয়। তার পিঠের আঘাত গুলো ফুসফুস পর্যন্ত চলে গেছে। হামলাকারীরা প্রথমে শুনে রিমন মারা গেছে। যখন জানতে পারে রিমন বেঁচে আছে তখন তারা পুনরায় রিমনের ওপর হামলা করতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে যায়। রিমনের স্কুলের বন্ধুরা তার ওপর হামলাকারীদের নাম জানে।    

সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ আবু তাহের বলেন,তথ্য নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। কি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে, এই বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। 

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ