বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

ভারতে মোঘল আমলে নির্মিত আরেকটি মসজিদ সরানোর আবেদন করলেন হিন্দু নেতারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রফিকুল ইসলাম জসিম ।। ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা থেকে এবার মুঘল আমলে তৈরি মিনা মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হল। মথুরার আদালতে এই আবেদন করা হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে। আবেদনকারীদের তরফে দাবি করা হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি কমপ্লেক্সের পূর্ব দিকে ঠাকুর কেশব দেব জি মন্দিরের একটি অংশে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, মথুরা আদালতে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কোষাধ্যক্ষ দীনেশ শর্মা এই আবেদনটি করেছেন। মথুরায় সিভিল বিচারক জ্যোতি সিংহের আদালতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। শর্মা এর আগে ঈদগাহ স্থানান্তরের মামলা করেছিলেন। নতুন আবেদনে দীনেশ শর্মা কেশব দেব জি মহারাজের একজন শিষ্য বলে নিজেকে দাবি করেছেন।

আবেদনে তিনি বলেছেন, মামলার মূল উদ্দেশ্য হল ঠাকুর কেশব দেবজি মহারাজের সম্পত্তি রক্ষা করা। তিনি মথুরা শহরে ১৩.৩৭ একর জমির মালিক, যেখানে শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি অবস্থিত। আমরা এখন মিনা মসজিদের অপসারণ চেয়েছি। দেবতার মালিকানাধীন জমিতে ডিগ গেটে বৃন্দাবন রেললাইনের কাছে। এই মামলার শুনানির জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে শাহি মসজিদ ঈদগাহ স্থানান্তরের জন্য মথুরা আদালতে বেশ কয়েকটি আবেজন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানে মন্দির চত্বরে শাহী ইদগাহ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। আবেদনকারীরা ১৯৬৮ সালের ১২ অক্টোবর শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান সেবাসংঘ ও শাহি মসজিদ ঈদগাহের চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, এটির কোন আইনি বৈধতা নেই কারণ শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি ট্রাস্ট, মালিকানা এই চুক্তির পক্ষে ছিল না।

আবেদনকারীরা আরও জানিয়েছেন, মুঘল সম্রাট আরঙ্গজেব যেখানে একটি মন্দির ভেঙে দিয়েছিলেন সেই জায়গায় মসজিদটি তৈরি হয়েছিল। যদিও আবেদনকারীদের দাবি অস্বীকার করেছেন শাহি ঈদগাহ মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। তাদের দাবি,আবার মিথ্যা মামলা করা হল।যা কাল্পনিক,অবাস্তব। সূত্র: পিটিআই

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ