শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

আলেমদের পদচারণায় মুখরিত বইমেলা: তসলিমা নাসরিনের গাত্রদাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: নানা বিষয়ে কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচিত মন্তব্য করে ইতোমধ্যেই নিজেকে কঠোর ইসলাম বিদ্ধেষী বলে প্রমাণ করেছেন দেশ ছেড়ে পালানো লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এবার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আবারো আলোচনায় এলেন তিনি।

চলছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। করোনার কারণে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে স্বাধীনতার মাস মার্চের ১৭ তারিখ পর্যন্ত। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এ বইমেলায় বেশ কয়েকবছর ধরেই ইসলামী বইয়ের কদর বাড়ছে। বইমেলা প্রাঙ্গণে পদচারণা বাড়ছে আলেমদের। মেলায় অনুষ্ঠিত সালাতের জামাতের দৃশ্য প্রশংসা কুড়িয়েছে সর্বত্র।

তবে এসব দেখে ওপার থেকে জ্বলেপুড়ে মরছেন তসলিমা নাসরিন! নিজের রাগ-গোস্বার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন নিজের ফেসবুক পোস্টে।

এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, আশির দশক জুড়ে ঢাকার বইমেলায় গিয়েছি। নব্বই দশকের শুরুতে তিন-চার বছর গিয়েছি। কোনও দিনই বইমেলায় হিজাব, বোরখা, টুপির উপস্থিতি দেখিনি। এখন হিজাব বোরখা টুপিতে সয়লাব বইমেলা। এক সময় দুঃখ ছিল ঢাকার বইমেলায় আমার যাওয়ার সুযোগ হয়না বলে। এখন আর দুঃখ নেই।

নিজের বিকৃত রুচিবোধ প্রকাশ করে তিনি লিখেন, অনেক প্রকাশক নিশ্চয়ই এখন নারীবিদ্বেষী ইসলামি বই প্রকাশ করে। মোক্সুদুল মোমেনিন ধরণের পর্নোগ্রাফির প্রকাশক অনেকে। তারা নিশ্চয়ই বইমেলা দাপিয়ে বেড়ায়। আমাদের এককালের সাহিত্যিক বইমেলা এখন ইসলামি বা প্রো-ইসলামি বইমেলায় রূপান্তরিত হয়েছে।

বই মেলায় সালাতের জামাত হওয়ায় বিতর্কত এই লেখিকা বলেন, এই বইমেলায় তসলিমার বই থাকা নিষিদ্ধ, ধর্ম মুক্ত লেখকদের বই থাকা নিষিদ্ধ, সাহসী প্রকাশকদের স্টল থাকা নিষিদ্ধ। এই বইমেলায় প্ল্যান করা হয় কী করে মুক্তচিন্তক লেখকদের খুন করা হবে। এই বইমেলাকে মসজিদ জ্ঞান করে মুসল্লিরা এসে নামাজ পড়ে যায়।

সমোলোচিত এই লেখিকা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, কবে যে এই বইমেলার নাম হয়ে যায় 'কিতাবমেলা'! কিতাবমেলার বড় বড় লাইফ সাইজ পোস্টারের মাথায় লেখা হবে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। তার নিচে লেখা হবে এইখানে কোরান হাদিস, হযরতের (সাঃ) জীবনী, খাদিজা (রাঃ), আয়শা (রাঃ) র জীবনী সুলভে বিক্রি হয়। আল্লাহু আকবর। না, সেদিনের বেশি দেরি নেই।

বিতর্কিত এ লেখকের ইসলাম বিদ্ধেষ নতুন নয়। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরেই তিনি এসব করে আসছেন। এসবের কারণে দেশান্তর হতেও বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ