রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
চিনির দাম বৃদ্ধির জন্যও কি দায়ী মুসলিমরা, বিজেপিকে সঞ্জয় সিংয়ের কটাক্ষ নকীব প্রার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ জাপানে কয়েক বছরে মুসলিমের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ ইলমের হেফাজতে এক নিভৃতচারী ব্যক্তিত্ব নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে বরণ করে নিলো বারিধারা মাদরাসা ‘অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে’ রাজধানীতে আরিশ ট্রাভেলসের হজ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে মারকাযু শাইখিল ইসলামের ৩০০ শিক্ষার্থী দেশে ফিরল কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির লাশ কুমিল্লায় সচেতন আহলে সুন্নাতের সিরাতসভা

মিয়ানমার সব মুসলিমদের তাড়াতে চায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমার থেকে তাড়িয়ে দিতে চায় সব মুসলিমদের দেশটির কর্তৃপক্ষ। মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সুপরিচিত আইনজীবী ও অধিকারকর্মী ইউ কিয়াও হ্লা অং আলজাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন।

গতকাল শুক্রবার সাক্ষাৎকারটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে আলজাজিরা। মুসলিম সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য সম্প্রতি তিনি আর্মেনিয়া থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কারের সেই অর্থও দান করেছেন রোহিঙ্গাদের কল্যাণে।

হ্লা অং বলেন, ১৯৪৮ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ১০ বছর এবং আট বছর একটানা মিয়ানমারে বসবাস করলে তিনি নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু ১৯৮২ সাল থেকে তারা (মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ) আমাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে আসছে।

অধিকারকর্মী আরো বলেন, ১৯৬৪ সালে মিয়ানমারের তৎকালীন শাসক জেনারেল নে উইন ভারতীয়, পাকিস্তানি ও চীনাদের মালিকানাধীন সব দোকান, জমি এবং কোম্পানি জাতীয়করণ করেন। তিনি মিয়ানমার থেকে সব বিদেশিদের বের করে দেন। কিন্তু সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করেননি।

বার কয়েক জেল খাটা আইনজীবী হ্লা অং আরও বলেন, রোহিঙ্গারা এখানকারই অধিবাসী, এর আগের প্রধানমন্ত্রী ইউ নুসহ সব গণতান্ত্রিক সরকার তাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৮২ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মুসলিমরা মিয়ানমারের মানুষ নয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ। আগে রোহিঙ্গারা পুলিশ, মিলিটারি, প্রশাসনে প্রতিনিধিত্ব করত। এখন আর তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই এসব জায়গায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ