বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

ক্ষমা না করার কঠিন পরিণতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহ হাকীম মোহাম্মদ আখতার দা.বা

হযরত হাকীম আখতার সাহেব বর্ণনা করেন যে, হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেছেন, যখন কেউ আমার কাছে ক্ষমা চায় আমি সাথে সাথে ক্ষমা করে দেই। কেননা আশরাফ আলীরও তো ক্ষমার প্রয়োজন আছে। কিন্তু অনেক উস্তাদ, অনেক মা-বাবা, মূর্খ প্রকৃতির হয়। তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া হলে বলে তোমাকে ক্ষমা করব না। আমার জানাযায়ও তুমি শরীক হবে না। আপনি কি জানেন? যে ব্যক্তি ক্ষমাপ্রার্থী মুসলমান ভাইকে ক্ষমা না করে তার জন্য কত বড় সাজা নির্ধারিত রয়েছে।

প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ স. বলেন, যে ব্যক্তি তার মুসলমান ভাইয়ের ক্ষমা প্রার্থনাকে গ্রহণ না কেরে সে যেন আমার হাউজে কাওসারের নিকট না আসে। (জামেউস সগীর: ১৫৮:১)

চিন্তা করুন কিয়ামতের দিন কী পরিমাণ পিপামা লাগবে। হাশরের দিনে শাফায়াতকারী হাউজে ককাওসারের মালিকের পানি থেকে বঞ্চিত হয়ে যাবে।

সুত্র: মাওলানা আহমদ আলী অনূদিত, মাকতাবাতুল আখতার প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত কিতাব “আপনজনের হক”  পৃষ্ঠা ২৪-২৫।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ