সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে শহীদ মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদ বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনিদের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান পেপ গার্দিওলার ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি দুপুরে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এবারও শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মাসিক নকীব, লেখা আহ্বান রাহাতের মুফতি হওয়ার স্বপ্নের পাশে গাজীপুর জেলা পরিষদ সুন্দর দেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের চলে যাওয়ার ৫২ বছর আজ উত্তর প্রদেশে মুসলিম সাংবাদিককে পিটিয়ে হত্যা

‘তাহলে দেনমোহর ও ভরণ-পোষনের বাধ্যবাধকতাও তুলে দেওয়া হোক’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সম্প্রতি নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে যে সুপারিশ পেশ করেছে তা নিয়ে ব্যাপক আপত্তি জানাচ্ছেন ইসলামপন্থীরা। এর অনেক ধারাকে ইসলামবিরোধী আখ্যায়িত করে তারা শুধু এই সুপারিশ নয়, পুরো কমিশনই বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছেন।

শুধু ইসলামপন্থীরাই নয়, এর বাইরেও বিভিন্নজন এই সংস্কার কমিশনের সুপারিশের সমালোচনা করছেন। বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও অ্যাকটিভিস্ট আব্দুন নুর তুষারও এই সুপারিশের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন,

ইসলাম বা পশ্চিমা যেকোনো একটা গ্রহণ করতে হবে। দুটির সংমিশ্রণ করা যাবে না। আর উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে নারীদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেনমোহর এবং ভরণ-পোষনের যে দায়িত্ব পুরুষের ওপর রয়েছে, সেটাও রহিত করতে হবে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে আব্দুন নুর তুষারের দেওয়া পোস্টটি এখানে হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘সম্পদ উত্তরাধিকার এসবে নারী বিষয়ক যেসব সংস্কার সব সম্পন্ন হয়ে গেলে কোনো অসুবিধা নাই। সব সমান সমান হোক। আমি চাই সম্পদের ভাগ সমান হোক। তবে এর সাথে সাথে দেনমোহরের প্রয়োজনীয়তাও তো ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। আর ভরণ পোষনের বাধ্যবাধকতাটাও। কেন বাধ্যগতভাবে পালতে হবে স্ত্রীকে? এই দুটোও বাতিল করে দিন। আধা পশ্চিমা আধা আরবী ভাবসাব কেন? হয় সব বাতিল করেন ও করে সংসারের অর্ধেক ভার বহন করেন আর নয় পুরুষকেই বাদ দেন লাইফ থেকে। ঘরজামাই শব্দটিকে ঘৃণিত অপমানজনক শব্দ না ভেবে তাকেও সম্মান দেন।

আরেকটা কথা - অনিচ্ছুক পুরুষকে অপমানজনক শব্দ ও নানারকম কটুকাটব্য করে উপগত হতে প্ররোচিত করাকেও বৈবাহিক ধর্ষণ হিসেবে গন্য করেন। পুরুষের না বলাকে সম্মান করেন। নারীকে ঘরকন্না করার ও পুরুষকে এককভাবে সংসারের আর্থিক ভারবহন করা থেকে মুক্তি দিন। অথবা পুরুষকেও দেনমোহর নিতে দিন। প্রিন্স থামুনদের মতো ছেলেরা দেনমোহর নিয়ে তখন সুখে থাকতো। ঘনঘন চুল রং করাতো। বোটক্স ফিলার করতো। শরীরের নানা স্থানে অগমেন্টেশন করে ছবি দিতো।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ