সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলা গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় আশরাফ মাহদীর তীব্র নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইনজামামুল হক

আজ মানিক মিয়া এভিনিউতে দেয়া জুলাই ঘোষণাপত্রে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদি।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘোষণাপত্রকে “অসম্পূর্ণ” আখ্যা দেন। আশরাফ মাহদি বলেন, “শাপলা না হলে ২৪ এর প্রেক্ষাপট তৈরী হত না। ফ্যাসিবাদের পদধ্বনির বিরুদ্ধে প্রথম লড়াই হয়েছিল শাপলায়।”

তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শাপলার আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং শাপলায় নিহতদের বিচার চেয়েছে। অথচ আজকের ঘোষণাপত্রে সেই রক্তঝরা অধ্যায়ের কোনো উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, “শাপলায় আমার ভাইদের রক্তকে যে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিতে পারেনা, সে রাষ্ট্র এখনো ফ্যাসিবাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারেনি।” আশরাফ মাহদির মতে, কালচারাল ফ্যাসিবাদ এখনও সমাজের ওপর সওয়ার।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও মাদরাসার ছাত্রদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে চব্বিশের লড়াইয়ে শতাধিক আলেম ও মাদরাসা শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। তাই তাদের অবদানের স্বীকৃতি ছাড়া কোনো ঘোষণাপত্র পূর্ণতা পেতে পারে না।

তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ