শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১১ মহর্‌রম ১৪৪৮


আশুরার চেতনায় সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পবিত্র আশুরার দিনকে (শুক্রবার) সামনে রেখে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘পবিত্র আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। তাই আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসুন আমরা সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে নিজেদের আরও নিবেদিত করি।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত পবিত্র আশুরা ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এটি শুধু শোক ও স্মরণের দিন নয়; বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালা দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস। প্রায় ১৪শ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদতের মহান মর্যাদা বরণ করেছিলেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের জন্য সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ