বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে বৈঠকে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা

‘গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ ৭০ শতাংশ মানুষকে ধিক্কার জানানো’  

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

গণভোটের বিরোধিতা করা মানে হচ্ছে ৭০ শতাংশ মানুষকে ধিক্কার জানানো এবং আয়নাঘরকে সমর্থন করা বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর যে গণভোটের দাবি উঠেছে, তাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা যদি এই গণভোট কার্যকর না করি, তবে ১৭ বছরের সেই জেল-জুলুমের জায়গায় আমাদের ফিরে যেতে হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটকে ইগনোর (উপেক্ষা) করা হলে বাউফল-পটুয়াখালীসহ গোটা বাংলাদেশ আবারও জেগে উঠবে। জুলাই সনদকে যদি আজ অবজ্ঞা করা হয়, তবে আমাদের আবার সেই গুম-খুনের আয়নাঘরের দিকে ধাবিত করা হবে। গণভোটের বিরোধিতা করা মানে হচ্ছে ৭০ শতাংশ মানুষকে ধিক্কার জানানো। গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ হচ্ছে আয়নাঘরকে সমর্থন করা।’

তিনি বলেন, ‘সংবিধান মানতে হলে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে থাকার কথা, ওনার দেশের বাইরে থাকার কথা না। আপনারা ৫১ শতাংশের দোহাই দিলেও প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণবিপ্লব ও গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। এই ৭০ শতাংশ মানুষের ইচ্ছাকে অবজ্ঞা করলে জাতি আবারও জেগে উঠবে। যদি জনগণের এই দাবিকে উপেক্ষা করা হয়, তবে শুধু আমার নির্বাচনী এলাকা বাউফল বা পটুয়াখালী নয়, গোটা বাংলাদেশ আবার জেগে উঠে এই গণভোটকে কার্যকর করবে।

নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আজকে সংবিধানের লাইন ধরে ধরে যদি আমাদেরকে চলতে হতো, তাহলে আমাদের নেতাদের ফাঁসির মঞ্চে যেতে হতো না। সংবিধান যদি আমাদের রক্ষা করতে পারতো, তবে ’৭২-এর সংবিধানের আলোকে আজকে আমাদের এখানে থাকার কথা ছিল না। আমি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার এখন জেলখানায় থাকার কথা ছিল। আমার বিরুদ্ধে ৩৫০টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে চার বছর আমি জেল খেটেছি। তিনবার রি-অ্যারেস্ট করা হয়েছে এবং দুবার গুম করা হয়েছিল। ডিজিএফআই থেকে আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মন্ত্রীত্ব ও দেশ পরিচালনার ভাগ নেওয়ার জন্য, শর্ত ছিল শেখ হাসিনার নীতি ও ’৭২-এর সংবিধান মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমরা আপস করিনি।’

ডা. মাসুদ বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্পষ্ট বলেছিলেন— সুযোগ পেলে আমরা এই (’৭২-এর) সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেব। অথচ আজ বর্তমান সরকারি দলের মধ্যে সেই সংবিধানের প্রতি কেন এত প্রেম জাগ্রত হয়েছে, তা দেশের মানুষ জানতে চায়।’

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ