বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগস্টের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়বে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়বে। এটা কঠিন সময়, আমাদের স্বীকারই করতে হবে এমনটি মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, একে তো অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে এই যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে, সেটার কারণে অর্থনীতির উপর বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে চাপটা আরও বাড়তে থাকবে। 

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তায় খুব সজাগ আছি। ইতোমধ্যে আমাদের জ্বালানি যে প্রকিউরমেন্ট—ভালো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এখনো অব্যাহত আছে। যাতে জ্বালানির অভাবে মিল-কারখানা, পাওয়ার সেক্টর বাধাগ্রস্ত না হয়। সেটা এখনো মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।

সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখনো পর্যন্ত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের চাপ সামাল দিতে চেষ্টা করছে সরকার। তবে ভবিষ্যতের চাপ সামলাতে জনগণকেও সংযমী হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য চেষ্টা করছি। যুদ্ধ যদি বেশিদিন অব্যাহত থাকে, চাপটা বাড়তে থাকবে। সেই চাপটা আলটিমেটলি জনগণের উপর আসবে। যেভাবে বিশ্বব্যাপী আসছে, সেটা বাংলাদেশেও আসবে। এটার জন্য জনগণের সমর্থন, সহযোগিতা, সহানুভূতি লাগবে, সংযম লাগবে। 

আমির খসরু বলেন, সবাই মিলে তো সমাধান করতে হবে। সরকার সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করছে। আমরা জনগণের সহযোগিতা ও সহানুভূতি চাই এবং সংযমও আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। সংযমের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

যুদ্ধ তো আমাদের হাতে নাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যু্দ্ধ হচ্ছে অন্য জায়গায়। এটার প্রতিফলন ঘটছে বাংলাদেশে। সবদেশে কম-বেশি। বাংলাদেশে বেশি কারণ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমাদের জ্বালানির মূল সোর্সটা। আমাদের উপর চাপটা অনেক বেশি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা জ্বালানিতেও চেষ্টা করছি। অলটারনেটিভ অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা জ্বালানি আনার চেষ্টা করেছি। কিছু কিছু শুরুও হয়েছে। এই পর্যন্ত একটা ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আমরা মোটামুটি ভালো জায়গায় আছি।

এ সময় চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার জিয়াউদ্দীন এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ