সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে চালু থাকা লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় সংসদে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান— প্রাইমারি স্কুলগুলোর ভর্তি পদ্ধতি পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না।
রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আগে প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমানে লটারির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ায় অনেক ফিডার ইনস্টিটিউটে শিক্ষার মান কমে গেছে। এর ফলে মানসম্মত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মূলত দুটি ধরণ রয়েছে— গ্রামীণ ও শহুরে।
মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তেমন প্রতিযোগিতা নেই, ফলে সেখানে লটারি পদ্ধতি বড় কোনো সমস্যা তৈরি করেনি। তবে রাজধানী ঢাকাসহ শহুরে এলাকায় এ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই জটিলতা নিরসনের জন্য বিগত সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করেছিল। তবে ব্যক্তিগতভাবে এটি তার কাছে খুব একটা যুক্তিসংগত মনে হয় না। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি কীভাবে পরিচালিত হবে, তা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে রোববার সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু হয়। আজকের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন, প্রশ্নোত্তর পর্ব, জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আইএইচ/