মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ ।। ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না’ আসুন সন্তানকে শিক্ষিত বানানোর আগে মানুষ বানাই: শায়খ আহমাদুল্লাহ দীনের প্রকৃত পথ: তাবলীগ, শিবির নাকি আলেমগণের সোহবত জুন মাসে বৃষ্টিপাত কম হবে, থাকবে তাপপ্রবাহ মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের আশ্বাস দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে সরকার’ ১০২ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস মুসলিম সাহিত্য সমাজের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে একক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত ভারতের পুশইনের মতো বর্বরতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিন: গাজী আতাউর রহমান

‘মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব-দুর্নীতিমুক্ত করতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক ভাবে গড়ে তোলার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি তাদের করতে হবে। ধ্বংস হয়ে পড়া একটা জনপ্রশাসনকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি। মন্ত্রণালয়গুলোর উচ্চতম পদে যারা নিয়োজিত ছিলেন তারা অনেকে দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেছেন কিংবা পদে থাকলেও সহকর্মীদের চাপের মুখে কাজ করতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছেন। দেশের শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী, বয়স্ক, বৃদ্ধ, পুরুষ, মহিলা সবাইকে আমার সালাম জানাচ্ছি।

আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বক্তব্যের শুরুতে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের প্রতি। আমি আরো স্মরণ করছি তাদের যারা ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রাণঘাতি অস্ত্রের সামনে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছে, আহত হয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, হারিয়েছে তাদের চোখের দৃষ্টি। সেইসব বীর দের স্মরণ করছি যারা মিথ্যাচার, লুটপাট, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক দফা দাবি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি আপনাদের ভাইবোনদের, আপনাদের সন্তানদের যারা এই বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমি আগেও জানিয়েছি, আবারো জানাচ্ছি, গণ-অভ্যুথানে সকল শহিদের পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। সকল আহত শিক্ষার্থী শ্রমিক জনতার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় সরকার বহন করবে। আহতদের দীর্ঘমেয়াদি এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহিদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন নতুন তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে এই তালিকা হাল নাগাদ করা হতে থাকবে। এই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতি ধরে রাখতে সরকার তার যাত্রা লগ্নে “জুলাই গণহত্যা স্মৃতি ফাউন্ডেশন” নামে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয় । এখন সে ফাউন্ডেশন তৈরি হয়েছে। সকল শহিদ পরিবার এবং আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা সহ তাদের পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব এই ফাউন্ডেশন গ্রহণ করছে। এই ফাউন্ডেশনে দান করার জন্য দেশের সকল মানুষ এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ