বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

মনোনয়ন জমা দিলেন এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

|| কাউসার লাবীব ||

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দিলেন সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক এই কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ আবারো আসবো আপনাদের কাছে। নমিনেশন দাখিল করেই ফেললাম। দোয়াতে শরীক রাখবেন।’

তিনি আরো লিখেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ না থাকলে এমনকি আমার আসনের সাবেক এমপি মহোদয়ের সেটিং করা প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত নমিনেশন প্রত্যাহারের সুযোগ অবারিত। সুতরাং সাধু সাবধান।’

এর আগে সাবেক এমপি শাহীনূর পাশা চৌধুরী শনিবার (২৫ নভেম্বর) রাতে জমিয়ত থেকে পদত্যাগ করেন। এ ব্যাপরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ নির্বাচনের পর মাঠে দেখা হবে। গুড বাই প্রাণের জমিয়ত।’

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের মৃত্যুর পর ২০ জুলাই ৪ দলীয় ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসাবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী ১৪ মাসের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তখন পাশা চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমএ মান্নান এমপির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক এমপি জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা শাহীনূর পাশা চৌধুরী। ২০১৪ সালে জোটের সিদ্ধান্তে পাশা চৌধুরী নির্বাচন বর্জন করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ২০ দলীয় জোট তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাশা চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে থাকলেও নির্বাচনের দিন কারচুপী এবং নৌকার কর্মী সমর্থকরা সেন্টার দখল করার অভিযোগ এনে সকাল ১১ টায় সুনামগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে গিয়ে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জন করেন তিনি। ওই নির্বাচনে পরিকল্পনামন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে এমএ মান্নান আবারো এমপি নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আজই ছিল শেষ দিন। এরপর বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। এরপর ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ জানুয়ারি।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ