নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ওলামা-মাশায়েখ বাংলাদেশ সম্মেলন’। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শীর্ষস্থানীয় ও বর্ষীয়ান আলেম-ওলামারা অংশ নেবেন। সম্মেলন থেকে বিশ্ব ইজতেমার বিভিন্ন সংকট নিরসন এবং টঙ্গী ইজতেমা মাঠে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে ইসলামি মূল্যবোধ রক্ষা এবং টঙ্গী ইজতেমা মাঠে সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবিকে সামনে রেখে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে চলমান বিভিন্ন সংকট ও বিরোধ নিরসনে ওলামা-মাশায়েখদের অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরাও সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।
শুরাঈ নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সম্মেলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় ও বর্ষীয়ান আলেম-ওলামারা এতে অংশ নেবেন।
আয়োজকদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হকের।
এ ছাড়া হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আলেমদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আয়োজকদের তালিকায় আরও রয়েছেন মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, চট্টগ্রামের আলেম মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, হাটহাজারী মাদরাসার প্রধান মুফতি জসিম উদ্দিন ও মুফতি কেফায়েতুল্লাহসহ আরও অনেকে।
সম্মেলনে ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও চূড়ান্ত শাস্তির দাবি জানানো হবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।
পাশাপাশি বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের বিষয়টিও সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে। এসব বিষয়ে ওলামা-মাশায়েখদের অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানানো হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ে ইসলামি মূল্যবোধ রক্ষা, ইজতেমা মাঠের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং বিশ্ব ইজতেমার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এসএইচ/