সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলতি মাসেই দেওয়া হবে এইচএসসির প্রবেশপত্র, কোন জেলায় কবে ‘মেঘনার পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ হবে’  ‘বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি ও অপচয়ের অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস খাদে, নিহত ৪ আহত ১০

হারামাইনের খুতবায় তাকওয়া ও ইখলাস নিয়ে হজের প্রস্তুতির আহ্বান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

গতকাল শুক্রবার (৮ মে) মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে খুতবায় হজের প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে। সেখানে তাকওয়া ও ইখলাস নিয়ে হজের প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মসজিদে হারামে খুতবা দেন শায়খ আবদুল্লাহ আল-জুহানী। তিনি হজ মৌসুমকে সামনে রেখে আল্লাহর সঙ্গে সত্যনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানান। কথা ও কাজে ইখলাস ও সততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাকওয়া, তাওবা ও আমলের বিশুদ্ধতার কথা বলেন। মুসলমানদের ঐক্য ও আল্লাহর বিধানের অনুসরণের ওপর জোর দেন।

খতিব বলেন, মানুষের প্রকৃত সফলতা আল্লাহর আনুগত্য ও তাকওয়ার মধ্যে নিহিত। কেবল বাহ্যিক আমল নয়, বরং অন্তরের ইখলাস ও নিয়তের বিশুদ্ধতাই আল্লাহর কাছে অধিক মূল্যবান। তিনি মুসলমানদের প্রতিটি কাজে সততা ও আল্লাহভীতির পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান।

খুতবায় তিনি হজ প্রসঙ্গে বলেন, হজ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের শিক্ষা দেয়। হজযাত্রীদেরকে শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও উত্তম আচরণ বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।

খতিব মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ও গুনাহ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও আল্লাহর বিধানের অনুসরণই মুসলমানদের শক্তির মূল ভিত্তি। তিনি বেশি বেশি তাওবা, কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও নেক আমলে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।

মসজিদে নববিতে খুতবা দেন শায়খ আলী আল-হুদাইফী। তিনি তার খুতবায় উল্লেখ করেন, ইসলামের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মানবসমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা। প্রকৃত ঈমান মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। শিরক, গুনাহ ও জুলুম মানুষের অস্থিরতার কারণ।

খতিব বলেন, প্রকৃত ঈমান ও তাকওয়া মানুষের অন্তরে প্রশান্তি সৃষ্টি করে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। আল্লাহর আনুগত্য ও সৎকর্ম মানুষের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তার কারণ হয়। বিপরীতে গুনাহ, জুলুম, অবিচার ও সীমালঙ্ঘন সমাজে অস্থিরতা ও ভয়ভীতির জন্ম দেয়।

খতিব আরও বলেন, নিরাপত্তা আল্লাহর বড় নেয়ামত। নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া ইবাদত, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক জীবন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব নয়। এজন্য মুসলমানদের পারস্পরিক অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ফিতনা-ফাসাদ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

খতিব মুসলমানদের বেশি বেশি আল্লাহর জিকির, তাওবা ও নেক আমলের প্রতি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে দায়িত্বশীল আচরণ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ