সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

ভারতে প্রকাশ্যে হিন্দুত্ববাদীদের হেনস্থার শিকার মাদরাসার ছাত্ররা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বিহার থেকে আসা মাদরাসার কয়েকজন ছাত্রকে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর (বজরং দল) বিরুদ্ধে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দেশটির একটি সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ঘটনার পর, বজরং দল অভিযোগ করে যে, বিহার থেকে নিয়ম মেনে শিশুদের মাদরাসায় আনা হচ্ছে না। এজন্যই তাদেরকে মারধর করেছেন তারা। ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সরকার রাজ্যের ৪টি জেলার মাদরাসায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

দেরাদুন-ভিত্তিক মুসলিম সংগঠন ‘মুসলিম সেবা সংগঠন’ স্থানীয় পুলিশের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম কুরেশি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল প্রায় ১০-১২ জন শিশু একটি মাদরাসায় পড়তে দেরাদুনে আসছিল, তখন বজরং দলের কিছু লোক তাদের পথ আটকে কয়েকজনকে মারধর করে।

কুরেশি আরো বলেন, বজরং দলের লোকেরা তাদের এটা-সেটা বলছিল এবং বলছিল যে তারা কিভাবে বিহার থেকে এখানে আসে। বিহার কি ভারতের অংশ নয়? এটি কোন আলাদা দেশ নয়। দেরাদুন একটি শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বিভিন্ন জায়গা ও এলাকা থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে আসে। তাদের এই অধিকার আছে।

মুসলিম আন্দোলনকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে এলে মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সমস্যাটা কী?

দাবি করা হচ্ছে যে, মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের উত্তরাখণ্ডে আসা ঠেকাতে রাজ্যে মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কুরেশি বলেন, যদি মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে কী করতে হবে তা মাদরাসাবোর্ড এবং প্রশাসনের ব্যাপার। তবে এই লোকেরা কেন গুন্ডামিতে লিপ্ত?

কুরেশির মতে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য এসএসপি ও প্রশাসনের সাথে তাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোনো কারণে তা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ