সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

দখলদারিত্ব বন্ধ না হলে অস্ত্র ত্যাগ করবে না হামাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকলে অস্ত্র ত্যাগ করবে না বলে জানিয়েছে  স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। আল জাজিরা ফোরামে দেওয়া এক বক্তব্যে এ কথা জানান সংগঠনটির শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল। তার মতে, নিরস্ত্র জনগণকে সহজেই শিকারে পরিণত করবে ইসরায়েল। এজন্য আগে গাজায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সূত্র: আল জাজিরার।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর গাজায় প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে তা কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে। গেল ৪ মাসে ইসরায়েল ১ হাজার ৫৪৩ বার যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় হামলা চালিয়েছে। এতে সাড়ে ৫ শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত এবং আহত হয়েছেন দেড় হাজারেরও বেশি।

এ পরিস্থিতিতে গাজা যুদ্ধ অবসানে গেল জানুয়ারিতে শুরু হয় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে উঠে-পড়ে লেগেছে সবাই। দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন ও হামাসকে সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্রীকরণ।

তবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলছে, গাজায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র ত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না তারা। দোহায় অনুষ্ঠিত আল জাজিরা ফোরামে হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল জানান, গাজায় যতদিন ইসরায়েলি দখলদারিত্ব থাকবে ততদিন অস্ত্র ত্যাগ করবে না হামাস সদস্যরা।

এ সময় তিনি আরও জানান, বিশ্বের ১৫৯টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিরক্ষামূলক নীতি ত্যাগ করে আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণহানি ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে। অনাহারে এবং চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন গাজার নারী ও শিশু।

  এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ