বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ শিক্ষার্থী আহত, দারুল আরকামের চার দফা দাবি উচ্চস্বরে গানের প্রতিবাদ প্রতিবাদ, পুলিশের লাঠিচার্জে দারুল আরকামের ৩০ শিক্ষার্থী আহত শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার পেলেন জুবায়ের রশীদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে আবদুল এল-সাইদ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতায় ভাগ বসালেন জামায়াত নেতারা! সংসার ভাঙার আগে শতবার ভাবুন, সংশোধনেই সমাধান:  শায়খ আহমাদুল্লাহ আল-আকসায় ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দিচ্ছে ইসরায়েল! দাদার ছায়া, চাচার ভালোবাসা এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম চালুর দাবি ছাত্র জমিয়তের

শরিফ হাসানাতের একগুচ্ছ কবিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: আওয়ার ইসলাম

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক

এক.
আমি যেন নির্জন বনের হরিণ—
বিষণ্ণতার বাঘ,
আমারে বানায়তে চায় তার খানা।

দিন শেষে আমারে বাঁচাইয়া দেয়
আয়াতের এই চেরাগ— 
‘লা তাহযান ইন্নাল্লাহা মা’আনা’।

দুই.
আমি কত নিমকহারাম!
নেয়ামতের পর্বতে বসেও যেন
শুধু পাপ কামাই আর পাপ জমাই।

মাবুদ, সবকিছু মুছে দেয় নিমিষেই—
‘রাব্বানা, রাব্বানা’ ডাকতেই।

তিন.
এক ফোঁটা চোখের পানি—
তা দিয়ে,
গোসল হবে না জানি,
অজুও না, হবে না অতখানি।
হবে না মরুময় বুকে তৃষ্ণা
নিবারণ—কোনো দিনই।

ইয়া নাফসি!
তুমি জানো কি?
আল্লাহর ভয়ে কাঁদে যে চোখ,
এক ফোঁটা তার পানি
নেভাতে পারে পুরোদস্তুর
জাহান্নামের সমস্ত আগুনই!

ইয়া নাফসি!
কাঁদো তুমি,
প্রকম্পিত হোক অন্তর,
যেভাবে কেঁপে ওঠে, ধসে পড়ে
আল্লাহর ভয়ে—পাথর।

চার.
দুঃখ আমার কাছে এলে—
সহাস্যে পাঠ করি— ‘ইন্না মা’আল ’উসরি ইউসরা’।
অতঃপর,
সুখ আমার কাছে পৌঁছায়—
ঐশ্বরিক সৌন্দর্য এবং নির্মলতায়।

পাঁচ.
প্রবাহিত জল আর বহমান হাওয়া বলে,
তাদের কোনো ঘরবাড়ি নাই;
তারা থাকে সবসময় পথেঘাটে।

পৃথিবীর এ বিশাল সরাইখানায়—
আমিও যে মুসাফির, কত সহজে ভুলে যাই!

ইয়া নাফসি!
তোমার কি মনে নাই মৃত্যুর চিরন্তন আয়াত?
নিশ্চয়ই, ফুরিয়ে যাবে তোমারও রওশন হায়াত।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ