রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ মাদরাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান আজহারীর

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাগত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এই ত্রিপক্ষীয় জোটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পারস্পরিক ঐক্য বৃদ্ধির এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকর ও অর্থবহভাবে নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘একটি বড়, সাহসী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গত ৭ আগস্ট তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলা এই অঞ্চলে নতুন করে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তির রূপরেখা অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় তিন সদস্য দেশের যেকোনো একটির ওপর যেকোনো ধরনের সশস্ত্র আক্রমণকে তিন দেশের সবার ওপর সম্মিলিত আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলা। এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরালো করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরেও শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে দেশগুলো। চুক্তি স্বাক্ষরকারী এই তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনের কূটনৈতিক উদ্যোগেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।

টিএইচএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ