সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফজরের নামাজে সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প, লাগানো হবে নিমগাছ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ কুরআনের আলোয় হৃদয় বদল, মা-বাবার পর ইসলামের ছায়ায় জার্মান কিশোরী মহানবীর (সা.) আদর্শ ছাড়া মানবতার মুক্তি আশা করা যায় না: মুনতাসির আলী দেশে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে চাই—ক্লিয়ার কাট কথা: শায়খে চরমোনাই ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার খবরে শীর্ষ আলেমদের উদ্বেগ বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর

কুরআনের আলোয় হৃদয় বদল, মা-বাবার পর ইসলামের ছায়ায় জার্মান কিশোরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুরআনের আলো ও ইসলামের সৌন্দর্য হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ায় তুরস্কে এক জার্মান পরিবারের তিন সদস্য ইসলাম গ্রহণ করেছেন। প্রথমে বাবা, এরপর মা এবং সর্বশেষ ১২ বছর বয়সী মেয়ে মিয়া জাস্টিন শোম্বস ইসলাম গ্রহণ করায় পরিবারটির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

তুরস্কের টোকাট শহর থেকে আসা এ হৃদয়ছোঁয়া ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। ঘটনাটি যেন আরও একবার মনে করিয়ে দেয়—সত্যের সন্ধানে হৃদয় উন্মুক্ত হলে কোরআনের আলো মানুষের জীবনকে নতুন পথে পরিচালিত করতে পারে।

জানা যায়, শোম্বস পরিবার ২০২৩ সালে জার্মানি থেকে তুরস্কের টোকাট শহরে এসে বসবাস শুরু করে। পরিবারের কর্তা ম্যাথিয়াস জর্জ শোম্বস প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরে তার স্ত্রী ম্যান্ডিও ইসলামের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে মুসলিম হন।

এরপর পরিবারের ১২ বছর বয়সী মেয়ে মিয়া জাস্টিন শোম্বসের সামনে ইসলামকে কাছ থেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়। তুরস্কে ভাষাজ্ঞান আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যে তাকে গ্রীষ্মকালীন একটি কোরআন কোর্সে ভর্তি করা হয়েছিল।

কিন্তু সেই কোর্স মিয়ার জীবনে হয়ে ওঠে আরও বড় পরিবর্তনের সূচনা। ভাষা শেখার পাশাপাশি সে আরবি বর্ণমালা শেখে, কোরআন মাজিদ পড়তে শুরু করে এবং ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারে। ধীরে ধীরে কোরআনের শিক্ষা ও ইসলামের সৌন্দর্য তার হৃদয় স্পর্শ করে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলাম সম্পর্কে কাছ থেকে জানার পর মিয়া নিজের ইচ্ছাতেই ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর সে কালেমা পড়ে মুসলিম হয়। এভাবে একই পরিবারের বাবা, মা ও ১২ বছর বয়সী মেয়ের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা পূর্ণতা পায়।

টোকাটের মুফতির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টেও পরিবারটির ইসলাম গ্রহণের ঘটনা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

জার্মানি থেকে তুরস্কে আসা, এরপর কোরআনের সংস্পর্শে এসে ইসলামের শিক্ষা জানা এবং শেষ পর্যন্ত পরিবারের ১২ বছর বয়সী কন্যারও স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ—পুরো ঘটনাটি সত্যের সন্ধানী হৃদয়ের জন্য এক অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা হয়ে উঠেছে।

কোরআনের শিক্ষা ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ যে মানুষের হৃদয়ে শান্তি, বিশ্বাস ও সত্যের অনুভূতি জাগাতে পারে—মিয়া ও তার পরিবারের ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি তারই এক আবেগঘন দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে এসেছে। সূত্র: ইউএনএ নিউজ

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ